• ই-পেপার

ইরাকে অঘোষিত সফরে ট্রাম্প দম্পতি

দক্ষিণ লেবাননে মার্টার হামলায় জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী নিহত, আহত ২

অনলাইন ডেস্ক
দক্ষিণ লেবাননে মার্টার হামলায় জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী নিহত, আহত ২
ছবি : জাতিসংঘ।

গত রাতে দক্ষিণ লেবাননে একটি মর্টার হামলায় তাদের একজন শান্তিরক্ষী নিহত এবং আরো দুইজন আহত হয়েছেন। লেবাননে জাতিসংঘের অন্তর্বর্তীকালীন বাহিনী (ইউনিফিল) এ খবর জানিয়েছে।

ইউনিফিল জানায়, মারজায়ুনের কাছে তাদের একটি অবস্থানে মর্টার শেল আঘাত হানলে পর্যবেক্ষক বাহিনীর একজন সদস্য গুরুতরভাবে আহত হন। বিমানযোগে বৈরুতের একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে আজ সকালে তিনি সেখানেই মারা যান।

তারা আরো জানায়, ‘আহত আরো দুজন শান্তিরক্ষীকে ইউনিফিল ঘাঁটির একটি চিকিৎসা কেন্দ্রে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’ ইউনিফিল জানিয়েছে, ‘এই মর্মান্তিক ঘটনার সঠিক পরিস্থিতি নির্ণয়ের জন্য’ তারা একটি তদন্ত শুরু করেছে। বিবৃতিতে হিজবুল্লাহ বা ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) নাম উল্লেখ করা হয়নি।

নতুন সংকটে কিউবার অর্থনীতি, নেপথ্যে কী

অনলাইন ডেস্ক
নতুন সংকটে কিউবার অর্থনীতি, নেপথ্যে কী
সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞার কারণে নতুন ধাক্কা এসেছে কিউবার অর্থনীতিতে। আগে থেকেই পর্যটন খাতে বড় ধরনের সংকটের মধ্যে দেশটির কমিউনিস্ট সরকারকে আরো চাপে ফেলতে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রশাসন।

এ অবস্থায় দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, আগামী ৬ জুন থেকে ভিসা ও মাস্টারকার্ডের মাধ্যমে আর কোনো লেনদেন করা যাবে না।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞার কারণে স্থানীয় সময় বুধবার দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ ঘোষণা দিয়ে জানায়, সাম্প্রতিক মার্কিন নিষেধাজ্ঞার ফলে একাধিক বিদেশি প্রতিষ্ঠান কিউবার সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতে, এর আগে কিউবার ক্রেডিট কার্ড লেনদেন প্রক্রিয়াকরণে সহায়তা করা একটি বিদেশি অংশীদার প্রতিষ্ঠান ১ মে জারি করা মার্কিন নির্বাহী আদেশের পর তাদের কার্যক্রম সীমিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ওই নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে কিউবার সঙ্গে বাণিজ্যিক কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়।

এক বিবৃতিতে কিউবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলেছে, এই সিদ্ধান্তের ফলে ভিসা ও মাস্টারকার্ডের মতো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কার্ডের মাধ্যমে পণ্য ও সেবা বিক্রির আয় গ্রহণ করা কিউবার পক্ষে আর সম্ভব হচ্ছে না।

বিশ্লেষকদের মতে, এ সিদ্ধান্ত কিউবার অর্থনীতির জন্য নতুন ধাক্কা হয়ে এসেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন দেশটির কমিউনিস্ট সরকারকে চাপে ফেলতে নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর করার উদ্যোগ নেওয়ায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এটি এমন এক সময়ে ঘটছে, যখন কিউবার পর্যটন খাত আগে থেকেই বড় ধরনের সংকটে রয়েছে।

জানা যায়, ঐতিহাসিকভাবে কিউবার ক্রেডিট কার্ড লেনদেন পরিচালনা করত একটি বিদেশি ব্যাংক এবং ফিনসিমেক্স এসএ। এটি জিএইএসএ নামের সামরিক নিয়ন্ত্রিত একটি ব্যবসায়িক গোষ্ঠীর আর্থিক শাখা।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রশাসন জিএইএসএর ওপরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। তাদের অভিযোগ, জিএইএসএ দেশটির সবচেয়ে লাভজনক খাত, বিশেষ করে পর্যটন, আর্থিক লেনদেন, প্রবাসী আয় এবং সরবরাহ ব্যবস্থাপনা থেকে অর্জিত মুনাফা গোপনে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং তা সামরিক বাহিনী ও কিউবার অভিজাত গোষ্ঠীর স্বার্থে ব্যবহার করে।

তবে কিউবা এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে। দেশটির দাবি, জিএইএসএ প্রকাশ্যেই দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে অবদান রেখে আসছে।

এ ছাড়া ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশের পর সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে একের পর এক বিদেশি প্রতিষ্ঠান দেশটি থেকে সরে যেতে শুরু করেছে। এর মধ্যে বিদেশি হোটেল পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান, বিমান সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক শিপিং কম্পানিও রয়েছে।

ভারতের সফরে ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট

অনলাইন ডেস্ক
ভারতের সফরে ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট
ছবি : রয়টার্স

ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ ভারত সফরে এসে উষ্ণ অভ্যর্থনা পেয়েছেন। সফরের অংশ হিসেবে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও জ্বালানি সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

বিশ্বের অন্যতম বড় তেলসমৃদ্ধ দেশ ভেনেজুয়েলার বিশাল অপরিশোধিত তেলের মজুদ রয়েছে। গত জানুয়ারিতে সাবেক প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ক্ষমতা হারানোর পর থেকে দেলসি রদ্রিগেজ দেশটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন। বৈঠকের আগে নয়াদিল্লির ঐতিহাসিক হায়দ্রাবাদ হাউসের বাইরে মোদি ও রদ্রিগেজ করমর্দন করেন।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রামানিয়াম জয়শঙ্কর বলেন, এই আলোচনা দুই দেশের সম্পর্ক ও সহযোগিতাকে আরো শক্তিশালী করবে। রদ্রিগেজের এই সফর এমন সময়ে হচ্ছে, যখন মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেল আমদানিকারক দেশ ভারত এ পরিস্থিতিতে ভেনেজুয়েলা থেকে আরো বেশি অপরিশোধিত তেল কিনছে। ভারতে পৌঁছানোর পর রদ্রিগেজ আশা প্রকাশ করেন, এই সফর খুবই ফলপ্রসূ হবে।

তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে এমন সব সহযোগিতার ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা হবে। এটি ভেনিজুয়েলার জনগণের জরুরি প্রয়োজন মেটাতে সহায়তা করবে এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে এগিয়ে নেবে।

নতুন পারমাণবিক জ্বালানি কেন্দ্র উন্মোচন, শক্তি বাড়ানোর ঘোষণা কিমের

অনলাইন ডেস্ক
নতুন পারমাণবিক জ্বালানি কেন্দ্র উন্মোচন, শক্তি বাড়ানোর ঘোষণা কিমের
ছবি : কেসিএনএ

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন দেশটির পারমাণবিক সক্ষমতা ‘অকল্পনীয় হারে’ বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছেন। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আজ বৃহস্পতিবার পারমাণবিক বোমার জ্বালানি উৎপাদনের জন্য একটি নতুন স্থাপনাও উন্মোচন করেছে পিয়ংইয়ং।

দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, নতুন স্থাপনাটি সম্ভবত একটি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র। দেশটির জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ বলেছে, উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় বজায় রাখছে। তবে নিরাপত্তার কারণে তারা এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি।

উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ দাবি করেছে, নতুন স্থাপনায় আরো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। তবে কেন্দ্রটি কোথায় অবস্থিত বা কবে থেকে এর কার্যক্রম শুরু হয়েছে, সে সম্পর্কে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে একটি বড় হলঘর দেখা গেছে, যেখানে সারিবদ্ধভাবে সেন্ট্রিফিউজ স্থাপন করা রয়েছে। এই যন্ত্রগুলো ইউরেনিয়ামকে উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ করতে ব্যবহৃত হয়, যা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘোষণা উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচিকে আরো এগিয়ে নেওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে এবং এটি অঞ্চলজুড়ে নতুন নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি করতে পারে। নতুন এই কারখানার উন্মোচনটি কিমের বারবার করা প্রতিশ্রুতিরই অংশ, যেখানে তিনি ক্রমবর্ধমান মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক হুমকি মোকাবেলার জন্য তার পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি সম্প্রসারণের কথা বলেছেন।

কেসিএনএ জানিয়েছে, কিম বুধবার এই পারমাণবিক স্থাপনাটি পরিদর্শন করেছেন এর কার্যক্রম এবং দীর্ঘমেয়াদী উৎপাদন পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে।

কেসিএনএ কিমের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছে, ‘সবচেয়ে ভয়ংকর শত্রুদের সঙ্গে সংঘাতের কারণে দেশের পারমাণবিক যুদ্ধ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে গুণগত ও পরিমাণগত উভয় দিক থেকেই শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তা বেড়েছে। এখানে স্পষ্টতই যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার কথা বলা হয়েছে।’ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিম উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক সক্ষমতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা হিসেবে অন্যান্য অনির্দিষ্ট হুমকি ও সংকটের কথাও উল্লেখ করেছেন।

উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ জানিয়েছে, দেশটির নেতা কিমের দাবি, পাঁচ বছর আগের তুলনায় বর্তমানে উত্তর কোরিয়ার অস্ত্র তৈরির উপযোগী পারমাণবিক উপকরণ উৎপাদনের সক্ষমতা দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। তবে তার এই দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। 

কেসিএনএর প্রতিবেদনে বলা হয়, নতুন ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র পরিদর্শনের পর কিম ও শীর্ষ কর্মকর্তারা একটি বৈঠক করেন। সেখানে তিনি দেশের পারমাণবিক শক্তি দ্রুত বাড়ানোর লক্ষ্যে নেওয়া উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের অগ্রাধিকার নির্ধারণের কথা বলেন।

প্রকাশিত ছবিগুলোতে দেখা যায়, কিম একটি সেন্ট্রিফিউজ হলের মতো স্থাপনায় ঘুরে দেখছেন। সেখানে সারিবদ্ধভাবে বসানো রুপালি রঙের নল ও পাইপের মাঝখান দিয়ে তিনি হাঁটছেন। অন্য একটি ছবিতে তাকে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করতে দেখা যায়। বৈঠকের টেবিলে শঙ্কু আকৃতির একটি বস্তুর ঝাপসা চিত্রও ছিল। তবে সেটি কোনো পারমাণবিক ওয়ারহেডের নকশা কি না, তা স্পষ্ট নয়।

নতুন এই স্থাপনার তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে আরেকটি গোপন ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র উন্মোচনের দুই বছরেরও কম সময়ের মধ্যে। এর আগে ২০১০ সালে উত্তর কোরিয়া প্রথমবারের মতো বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সামনে ইয়ংবিয়ন পারমাণবিক কমপ্লেক্সের একটি সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র প্রদর্শন করেছিল।

২০২৪ সালে আগের কেন্দ্র পরিদর্শনের সময়ও কিম দেশের পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডার ‘অকল্পনীয়ভাবে’ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন। তখন তিনি আরো বেশি সেন্ট্রিফিউজ স্থাপন এবং উন্নত প্রযুক্তির নতুন সেন্ট্রিফিউজ তৈরির ওপর জোর দেন।

উত্তর কোরিয়া ২০১৭ সালের পর আর কোনো পারমাণবিক পরীক্ষা চালায়নি। তবে গত কয়েক বছরে দেশটি দ্রুতগতিতে পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা ও সক্ষমতা বাড়িয়েছে। এসব ক্ষেপণাস্ত্র এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর পাশাপাশি মার্কিন মূল ভূখণ্ডেও পৌঁছাতে সক্ষম বলে মনে করা হয়। একই সঙ্গে নেতা কিম জং উন দেশের পারমাণবিক অস্ত্রের মজুদ বাড়ানোর ওপর জোর দিয়ে আসছেন।

২০১৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আইনপ্রণেতাদের জানিয়েছিলেন, উত্তর কোরিয়ার কাছে তখন আনুমানিক ২০ থেকে ৬০টি পারমাণবিক অস্ত্র ছিল। তবে বর্তমানে কিছু বিশেষজ্ঞের ধারণা, দেশটির অস্ত্রাগারে ১০০টিরও বেশি পারমাণবিক ওয়ারহেড থাকতে পারে। তাদের মতে, উত্তর কোরিয়া প্রতি বছর আরো ৬ থেকে ১৮টি নতুন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা রাখে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বা প্লুটোনিয়াম, উভয় উপাদান দিয়েই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করা যায়। উত্তর কোরিয়ার ইয়ংবিয়ন নিউক্লিয়ার সায়েন্টিফিক রিসার্চ সেন্টারে, এই দুই ধরনের উপাদান উৎপাদনের সুবিধা রয়েছে।

২০১৯ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং কিম জং উনের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের আলোচনার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর থেকে উত্তর কোরিয়া তার পারমাণবিক কর্মসূচ সম্প্রসারণ ও আধুনিকীকরণে মনোযোগী হয়েছে। এর পর থেকে পিয়ংইয়ং যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার কূটনৈতিক আলোচনায় ফেরার প্রস্তাবও বারবার প্রত্যাখ্যান করেছে।

এদিকে, চলতি বছরের এপ্রিলে রাফায়েল গ্রোসি জানান, তার সংস্থা উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে কার্যক্রমের ‘উল্লেখযোগ্য ও দ্রুত বৃদ্ধি’ লক্ষ করেছে। তার এই মন্তব্যে দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ আরো বেড়েছে।

ইরাকে অঘোষিত সফরে ট্রাম্প দম্পতি | কালের কণ্ঠ