kalerkantho


‘আমি ট্রাম্পকন্যা, অপহরণ করে পাকিস্তানে আনা হয়েছে’

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৯ ডিসেম্বর, ২০১৮ ২২:২৮



‘আমি ট্রাম্পকন্যা, অপহরণ করে পাকিস্তানে আনা হয়েছে’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কন্যাকে অপহরণ করে পাকিস্তানে আনা হয় বলে দাবি করেছেন সেই কন্যা নিজেই! এমন আশ্চর্য দাবি করেছেন লাহোরের বাসিন্দা আম্মারা মাজহার।

তিনি নিজেকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের কন্যা দাবি করে করেছেন। তবে কোনো পালিত বা অবৈধ কন্যা নয়। ট্রাম্পের স্ত্রীর গর্ভজাত সন্তান। পাকিস্তান ও ভারতের একাধিক গণমাধ্যমে এ খবর প্রকাশ করা হয়েছে।

তবে আম্মারা মাজহার দুই রকম তথ্য দিয়েছেন। তিনি একবার বলেছেন, ন্যাটো বাহিনীর সাথে ঘুরতে ঘুরতে চলে ট্রাম্পের সাথে এসেছিলেন। পরে ট্রাম্প তাকে ফেলে গিয়েছিলেন।

তিনি আবার দাবি করেছেন, আমেরিকাতেই তিনি জন্মেছিলেন। সেখানেই তার শৈশব কেটেছে। তাকে অপহরণ করে পাকিস্তানে নিয়ে আসা হয়। তারপর থেকে লাহোরে রয়েছেন তিনি।

তার এসব দাবি প্রতিষ্ঠিত করতে এবং নিজের প্রতি সুবিচার পেতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন আম্মারা মাজহার। লাহোর হাই কোর্টে সুবিচার চেয়ে আবেদন করেছেন। প্রয়োজনে তিনি পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টেও যাবেন বলে জানিয়েছেন।

আম্মারা মাজহার বলেছেন, ‘আমার মা ইভানা (ট্রাম্পের প্রথম স্ত্রী) আমার প্রতি খুব উদাসীন ছিলেন। এ নিয়ে বাবা আমার মা’কে বকাবকি করতেন। মায়ের উদাসীনতার কারণেই আমায় অপহরণ করতে সক্ষম হয় অপহরণকারীরা।’

তবে পাকিস্তানের এক চিকিৎসক জানিয়েছেন, ‘মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ার কারণেই ভুল বকছেন ওই নারী। তার মস্তিষ্ক পাকিস্তানের বাইরে নানা জায়গায় ঘুরছে। সেখানে অনেক ভাবনা-চিন্তা রয়েছে যেগুলির মধ্যে কোনও মিল নেই। তেমনই একটি মায়া হচ্ছে তার বাবা ডোনাল্ড ট্রাম্প।’

উল্লেখ্য, ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো পযৃন্ত তিনটি বিয়ে করেছেন। ইভানা ট্রাম্প তার প্রথম স্ত্রী। ১৯৭৭ সালে বিয়ে হয় ডোনাল্ড এবং ইভানার। ১৯৯২ সালে ভেঙে যায় দেড় দশকের দাম্পত্য।

সূত্র: ডেইলি পাকিস্তান



মন্তব্য