kalerkantho


'পুলিশ ডাকো, আমার বয়ফ্রেন্ড আমাকে হুমকি দিচ্ছে'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১২ অক্টোবর, ২০১৮ ১০:০২



'পুলিশ ডাকো, আমার বয়ফ্রেন্ড আমাকে হুমকি দিচ্ছে'

প্রতিদিনই প্রেমিকাকে ঘরে বন্ধ করে পেটাতো প্রেমিক। বন্ধুকের সামনে রেখে তাঁকে নিয়মিত হুমকি দিত সে। এই নৃশংস প্রেমিকের হাত থেকে যেভাবে নিজেকে বাঁচিয়েছে মেয়েটি তা সকলকেই অবাক করে দেয়। নিজের কুকুরকে ডাক্তার দেখাতে পশু হাসপাতালে যান মেয়েটি, সেখানেও তাঁর বয়ফ্রেন্ড বন্দুক নিয়ে পৌঁছেছিল। মেয়েটি সাহস করে বড় পদক্ষেপ নেয়।

গার্লফ্রেন্ড ওয়াশরুমে যাওয়ার বাহানা দেখিয়ে বেরিয়ে যায়। তারপর ধীরে ধীরে রিসেপশন কাউন্টারে গিয়ে সেখানে একটি চিঠি দেয়। চিঠিতে লেখা ছিল 'পুলিশ ডাকো, আমার বয়ফ্রেন্ড আমাকে হুমকি দিচ্ছে। ওর কাছে বন্দুক আছে ওকে বেরোতে দিও না।' এরপরে তিনি আবার ফিরে আসেন বয়ফ্রেন্ডের কাছে। হাসপাতালে দু’জনেই ওয়েটিং রুম বসে ছিল। রিসেপশনিস্ট চিঠিটি পড়ে সাহস করে পুলিশকে ডেকে আনেন। ওই সময় মেয়েটি তাঁর বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে একা ওই ঘরে বসে ছিল। সেখানেও বয়ফ্রেন্ড তাঁর সঙ্গে অদ্ভুত ভাবে কথা বলছিল।

১৫ মিনিট পরে পুলিশ আসে এবং বন্দুক সহ বয়ফ্রেন্ডকে নিয়ে চলে যায়। এরপরে মেয়েটি প্রচণ্ড কান্নাকাটি করে এবং পুরো গল্প পুলিশকে শোনায়। নিজের শরীরে মারের দাগ দেখান তিনি, যাতে ওই ছেলেটি উপযুক্ত সাজা পায় তার আর্জিও করেন পুলিশের কাছে। মেয়েটির নাম রিশেল, ছেলেটির নাম ফ্লয়েড।

ফ্লয়েডকে নিয়ে যাওয়ার পরে রিশেলকেও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। যেখানে তাঁর চিকিৎসা করা হয়েছে। গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ভোলুসিয়া কাউন্টি ব্রাঞ্চ জেলে রয়েছে সে। রিশেলের এই সাহসের জন্যই তিনি নিজের প্রাণ বাঁচিয়েছেন।

সূত্র : এনডিটিভি



মন্তব্য