kalerkantho


কেরালার বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩২৪, পরিস্থিতি পরিদর্শনে মোদি

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৭ আগস্ট, ২০১৮ ১৯:৪৪



কেরালার বন্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩২৪, পরিস্থিতি পরিদর্শনে মোদি

যে দিকেই চোখ যায়, শুধু পানি আর পানি। তার মধ্যেই কোথাও মাথা উঁচু করে রয়েছে কিছু বাড়ি আর গাছপালা। বন্যা বিধ্বস্ত কেরালার ছবিটা এখন এ রকমই।

গত এক সপ্তাহ ধরে প্রবল বৃষ্টিতে রাজ্যের বেশির ভাগ অংশই প্রায় পানির নিচে ডুবে গেছে। বন্যার কাছে হার মেনে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা।

এখন পর্যন্ত তিনশ ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে মুখ্যমন্ত্রীর অফিস থেকে জানানো হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরো বাড়ার আশঙ্কা করছে প্রশাসন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আগামী  কয়েক দিন এভাবে বৃষ্টি চলতে থাকলে পরিস্থিতি আরো সঙ্কটময় হয়ে উঠবে। কেরালার এই বন্যা ১৯২৪ সালের ভয়াল স্মৃতিকে উসকে দিয়েছে রাজ্যবাসীর মনে। সে বছর রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছিল।

টানা তিন সপ্তাহ ধরে বৃষ্টি চলে। মোট বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ছিল ৩,৩৬৮ মিলিমিটার। সরকারি তথ্য না মিললেও বিভিন্ন তথ্য থেকে জানা গেছে, সে বছর প্রায় এক হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

যা কেরালার ইতিহাসে ‘দ্য গ্রেট ফ্লাড অব ’৯৯’ নামে চিহ্নিত হয়ে আছে।

কেরালার বন্যা পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখতে শুক্রবার সে রাজ্যে যাওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। শনিবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। রাজ্যের ১৪টি জেলার মধ্যে ১৩টিতেই চূড়ান্ত সতর্কতা জারি করেছে রাজ্য প্রশাসন।

সবচেয়ে খারাপ অবস্থা ইদুকি জেলার। তবে পরিস্থিতি আগের থেকে কিছুটা উন্নত হয়েছে আলাপুঝা, এর্নাকুলাম, ত্রিশূর এবং পথনমথিত্তায়। পানি কিছুটা নেমেছে এসব জায়গায়। ত্রিশূর ও চালাকুড়ি শহরের বেশির ভাগটাই পানির নিচে চলে গেছে। যে সব জায়গায় ত্রাণ শিবির তৈরি করা হয়েছে, নতুন করে বৃষ্টি হওয়ায় সেখানেও পানি ঢুকতে শুরু করেছে।

উদ্ধারকাজের জন্য দুই শতাধিক নৌকা নামিয়েছে সেনারা। বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ) এবং উপকূলরক্ষী বাহিনীর জওয়ানরা দিনরাত এক করে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন।



মন্তব্য