kalerkantho


‘উপযুক্ত শিক্ষা’ পেল বিজেপি!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২০ মে, ২০১৮ ১৬:৪৭



‘উপযুক্ত শিক্ষা’ পেল বিজেপি!

অবশেষে ভারতের দক্ষিণ-পশ্চিমের রাজ্য কর্ণাটকে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে কংগ্রেস ও জেডিএস জোট। আগামী বুধবার জোট নেতা এইচ. ডি. কুমার স্বামী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন।

এদিকে, নির্বাচনের পরপর তড়িঘড়ি করে শপথ নিয়েও শেষ পর্যন্ত টিকতে না পারায়, দেশজুড়ে এখনো বিজেপির সমালোচনা চলছে। এর মধ্যদিয়ে ভারতে সবচেয়ে কম সময়ে সরকারে থাকার নজির গড়লো কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন এ দলটি। কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর দাবি, এ পরাজয় মোদি ও তার দলের জন্য ‘উপযুক্ত শিক্ষা’।

 কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেয়ার তিনদিনের মাথায় বিজেপি নেতা বিএস ইয়েদুরাপ্পার পদত্যাগের পর এভাবেই রাস্তায় নেমে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে কংগ্রেস সমর্থকরা। এক সপ্তাহের ব্যবধানে রাজ্যে কংগ্রেস-জেডিএস জোট সরকার গঠন করতে চলায় সমর্থকদের আনন্দের মাত্রাও ছিল বাঁধ ভাঙা।

১শ ৪টি আসন নিয়ে কর্ণাটকে বিজেপি সরকার গঠনের পর বিরোধীদলগুলোর তীব্র আন্দোলনের মুখে দলটি ক্ষমতায় টিকতে পারেনি বলে মন্তব্য করেছেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। ইয়েদুরাপ্পার পদত্যাগই শেষ কথা নয়, গণতন্ত্রের বিজয়ের আগ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন রাহুল।

রাহুল গান্ধী বলেন,  আমাদের বিজয় হয়েছে। এর মধ্যে দিয়ে প্রমাণিত হলো, ভারতে ক্ষমতায় থাকলেই সব কিছু করা যায় না। ভারতে অর্থ দিয়েও সব কিছু হয় না। পাশাপাশি দুর্নীতি করেও পার পাওয়া যায় না। এ দেশে জনগণই সর্বময় ক্ষমতার মালিক।

কংগ্রেসের জোট, কর্ণাটকের আঞ্চলিক দল জনতা দল সেকুলার-জেডিএস'র পক্ষ থেকেও বিজেপির প্রভাব বিস্তারের কড়া সমালোচনা করা হয়েছে।

এইচ.ডি. কুমারস্বামী বলেন, অবশেষে জনগণের বিজয় হয়েছে। আমি কথা দিচ্ছি সরকার গঠন করে এই জনগণের জন্য পাঁচ বছরের একটি স্থিতিশীল শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করবো। 

ভারতের সুপ্রিম কোর্ট আস্থাভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে বলেন ইয়েদুরাপ্পাকে। সমালোচকদের মত, ভোটে পরাজয় জেনেই শনিবার আগেভাগে ইস্তফা দেন বিজেপি নেতা ইয়েদুরাপ্পা।

এর পরপর সাংবিধানিক সংকট নিরসনে রাজ্যপাল বাজুভাই বালা জেডিএস নেতা এইচ. ডি. কুমারস্বামীকে সোমবার নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে আমন্ত্রণ জানান। তবে সোমবার-২১শে মে রাজীব গান্ধীর মৃত্যুবার্ষিকী হওয়ায় শপথ আয়োজন পিছিয়ে আগামী বুধবারে নেয়া হয়েছে।

অবশ্য কেন্দ্র বিজেপির পক্ষ থেকে এখনও দাবি করা হয়েছে, সংখ্যাগরিষ্ঠতা তাদেরই বেশি। ১৫ দিনের বেঁধে দেয়া সময় পেলে সেটি প্রমাণও করা সম্ভব বলে মত দলটির নেতাদের।



মন্তব্য