kalerkantho


দালাই লামাকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিল জেএমবি জঙ্গিরা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ১৭:২৭



দালাই লামাকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিল জেএমবি জঙ্গিরা

চতুর্দশ তিব্বতি ধর্মগুরু দালাই লামাকে হত্যার পরিকল্পনা তৈরি করতে জেএমবি গোপন বৈঠক করেছিল ভারতের হায়দ্রাবাদে। সেই বৈঠকে স্থির হয়, বুদ্ধগয়ায় বিস্ফোরণ ঘটানো হবে। এমনই চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি দিয়েছে ভারতের ধৃত জঙ্গি নুর মোহাম্মদ।

জেরায় জঙ্গি নুর জানিয়েছে, কোরান পড়ানোর নামেই তাকে হায়দ্রাবাদে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তবে সেখানে গিয়ে জঙ্গি কার্যকলাপে লিপ্ত হতে হয়। সেখানেই গোপন ডেরায় নুরকে বলা হয়েছিল দালাই লামাকে সরিয়ে দিতে হবে। সেই লক্ষ্যেই বিস্ফোরণ ঘটানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল।

ধৃত এই নুর মোহাম্মদ বুদ্ধগয়া বিস্ফোরণের অন্যতম চক্রান্তকারী। পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ানের বাসিন্দা। চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি চতুর্দশ তিব্বতি ধর্মগুরু দালাই লামা বিহারের বুদ্ধগয়া ঘুরে যাওয়ার পরে সেখানে আইইডি বিস্ফোরণ হয়। সেই বিস্ফোরণের ঘটনার পরিকল্পনা এবং আইইডি বোমা রাখার অভিযোগে নুর মোহাম্মদকে নিয়ে মোট পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করেছে এসটিএফ।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে এক বিশেষ অভিযানের গ্রেপ্তার করা হয় নুর মোহাম্মদকে। শুক্রবার তাকে পশ্চিমবঙ্গের ব্যাংকশাল কোর্টে তোলা হয়। বিচারক নুরকে ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।

বুদ্ধগয়া বিস্ফোরণের তদন্তে নেমে প্রথমে মুর্শিদাবাদ এবং দার্জিলিঙের ফাঁসিদেওয়া থেকে পয়গম্বর শেখ এবং জামিরুল শেখ নামে দুই জেএমবি জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করে এসটিএফ। ধৃত দুই জঙ্গিকে জেরা করে পাওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে গ্রেপ্তার করা হয় শিষ মোহাম্মদ নামে এক জঙ্গিকে। সেই জেরার সূত্র ধরেই গ্রেপ্তার করা হয় চতুর্থ জঙ্গি আহমেদ আলিকে। নিউ ফারাক্কা স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম নম্বর-২ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল চতুর্থ জঙ্গিকে।

সেই ঘটনার প্রায় আড়াই সপ্তাহ পরে পুলিশের জালে ধরা পড়ল পঞ্চম জঙ্গি। মুর্শিদাবাদের নুর মোহাম্মদ। যদিও বিহারের বুদ্ধ গয়ার সঙ্গে এই রাজ্যের যোগ অনেক আগেই মিলেছিল। মুর্শিদাবাদ থেকেই বিস্ফোরক গিয়েছিল বলে জানতে পারেন তদন্তকারীরা।



মন্তব্য