kalerkantho


ধর্ষণের অভিযোগে দু'জনকে থানা থেকে ছিনিয়ে পিটিয়ে মারলো জনতা!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ২১:৩৭



ধর্ষণের অভিযোগে দু'জনকে থানা থেকে ছিনিয়ে পিটিয়ে মারলো জনতা!

দু'জন চা শ্রমিককে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে এক শিশুকে ধর্ষণ করে তার গলা কেটে হত্যা করার। থানা হাজতে বন্দি ছিলেন অভিযুক্তরা।

সোমবার উত্তেজিত জনতা থানা ভেঙে অভিযুক্তদের বের করে এনে নগ্ন করে রাস্তায় ফেলে পিটিয়ে হত্যা করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের অরুণাচল প্রদেশের লোহিত জেলার ওয়াক্রো এলাকায়।

পুলিশ জানিয়েছে, ওয়াক্রো এলাকায় নামগো মিসিং গ্রামের পাঁচ বছরের এক শিশুকে গত ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।

পরে ১৭ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় চা বাগানের কাছে ঝোপের মধ্যে শিশুটির গলাকাটা, নগ্ন উদ্ধার করে পুলিশ। তদন্তে নেমে বাগানের দুই শ্রমিক পলাতক দেখতে পায় পুলিশ।

রবিবার টেঙাপানি গ্রাম থেকে সঞ্জয় সুবুর (৩০) ও জগদীশ লোহার (২৫) নামে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। তারা দোষ স্বীকারও করে নেন।

আরো পড়ুন : যে কারণে দেরিতে বিয়ে করছেন সিরিয়ার নারীরা!

তারা জানান, ধর্ষণ করার সময় মেয়েটি চিৎকার করছিল; সে কারণে তার মাথা কেটে ফেলা হয়। ময়নাতদন্তের পর মেয়েটির দেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হলেও স্থানীয় উপজাতিদের দাবি ছিল, জঘন্য অপরাধে অভিযুক্তদের জনতার হাতে তুলে দিতে হবে।

নিরাপত্তার জন্য অভিযুক্তদের ফাঁড়ি থেকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সোমবার ভোর থেকে সশস্ত্র উপজাতিরা থানায় আক্রমণ চালায়। পিছু হটে পুলিশ। দরজা ভেঙে সুবুর ও লোহারকে বের করে নিয়ে যায় জনতা।

সেখানেই তাদের নগ্ন করে শহর ঘোরানো হয়। এর পর শহরের প্রাণকেন্দ্রে এনে পিটিয়ে তাদের হত্যা করে ফেলে রাখা হয়।

জনরোষের ভয়ে অনেক পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। ২০১৫ সালে ডিমাপুর জেল ভেঙে ধর্ষণে অভিযুক্ত এক যুবককে বের করে এনে উত্তেজিত জনতা একইভাবে নগ্ন করে শহর ঘোরায়। পরে ক্লক টাওয়ারে তাকে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছিল।



মন্তব্য