kalerkantho


মালদ্বীপের দিকে এগোনোর দরকার নেই, ভারতকে হুঁশিয়ারি চীনের

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ২২:১৬



মালদ্বীপের দিকে এগোনোর দরকার নেই, ভারতকে হুঁশিয়ারি চীনের

মালদ্বীপে ভারতের যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। এমনটাই বার্তা দিল চীন। মালদ্বীপের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ নাশিদ সাহায্যের জন্য ভারতের দ্বারস্থ হওয়ার পরই এমন মন্তব্য করল চীন। তাদের দাবি, ভারত এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করলে নাকি সমস্যা আরও জটিল হতে পারে।

মালদ্বীপের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে চীনের। দুই দেশের মধ্যে FTA চুক্তিও হয়েছে, যার ফলে লাভবান হয়েছে দুই দেশই। তবে মালদ্বীপের সমস্যা নিয়ে মুখ খোলেনি চীনের মিডিয়া।

অবশ্য, চীন তাদের মেরিটাইম সিল্ক রোড প্রজেক্টের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখে মালদ্বীপকে। তাই সেদেশে ভারতের আধিপত্য তৈরি হলে চীনের চিন্তার কারণ তো হবেই।

আরও পড়ুন: মালদ্বীপে রাজনৈতিক সঙ্কটের নেপথ্যে ভারত-চীনের কোল্ড ওয়ার!

এদিকে, মালদ্বীপের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তিত ভারত। জানা গিয়েছে, যে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি রুখতে দ্রুত ভারতীয় সেনা পাঠানো হতে পারে মালদ্বীপে। সেই জন্য ভারতের আর্মি-নেভি ও এয়ারফোর্সকে তৈরি থাকতে বলা হয়েছে। মালদ্বীপ সংলগ্ন ভারত মহাসাগরে অবস্থানকারী নৌ সেনার যুদ্ধ জাহাজেও পাঠানো হয়েছে বার্তা।

২০১৫ সালে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে কারাদণ্ড পাওয়া মোহাম্মদ নাশিদ ও বিরোধী দলের ১২ সাংসদকে গত বৃহস্পতিবার মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেয় মালদ্বীপ সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু মালদ্বীপের বর্তমান সরকার বিরোধী নেতাদের মুক্তি দিতে চায়নি। বরং সোমবার মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট আবদুল্লা ইয়ামিন জরুরি অবস্থা জারি করেন।

আরও পড়ুন: ভারতের সহায়তা চাইলেন মালদ্বীপের সাবেক প্রেসিডেন্ট নাশিদ

এরপরেই সে দেশের প্রধান বিচারপতি আবদুল্লা সাইদ এবং প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট আব্দুল গাইয়ুম সহ শীর্ষস্থানীয় কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরিস্থিতি আরো ঘোরালো আকার নেয়। এর জেরেই সুপ্রিম কোর্ট ও সরকারের মধ্যে দ্বন্দ্বের শুরু। এরপরেই রাজধানী মালে শহরে সেনাবাহিনী ঢুকে পড়ে। দেশটির পার্লামেন্ট ঘিরে রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন: রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তির রায় বাতিল করল মালদ্বীপের সুপ্রিম কোর্ট

এর আগে, ১৯৮৮ সালে মালদ্বীপে চূড়ান্ত বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি ও অভ্যুত্থান রুখে দিয়েছিল ভারত। সেবার কোনোরকমে উদ্ধার করা হয় তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আবদুল্লা গাইয়ুমকে। পুরো অভিযানটি অপারেশন ক্যাকটাস নামেই সুপরিচিত।



মন্তব্য