kalerkantho


কাতারিদের নির্যাতনের অভিযোগে তদন্তাধীন আমিরাতের কর্মকর্তারা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৩ জানুয়ারি, ২০১৮ ১৩:৫৮



কাতারিদের নির্যাতনের অভিযোগে তদন্তাধীন আমিরাতের কর্মকর্তারা

কাতারের নাগরিকদের নির্যাতনের অভিযোগে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কয়েকজন কর্মকর্তার ব্যাপারে তদন্ত শুরু করেছে যুক্তরাজ্যের পুলিশ। সার্বজনীন বিচারব্যবস্থার অধীনে আমিরাতের অভিযুক্ত কর্মকর্তারা যুক্তরাজ্যে প্রবেশ করলে জিজ্ঞাসাবাদসহ আটকও হতে পারেন বলে জানিয়েছেন কাতার পক্ষের আইনজীবী রোদনি ডিক্সন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৩ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত কাতারের বহু নাগরিককে অবৈধভাবে আমিরাতের কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে।

রোদনি ডিক্সন জানান, এরকম অন্তত ১০টি অভিযোগের ব্যাপারে আমরা তথ্যপ্রমাণ দেখাতে পারবো। কাতারের নাগরিকদের নির্যাতনের পেছনে আমিরাতের কর্মকর্তারা সরাসরি জড়িত।

আরো পড়ুন : স্বামীর কপালে বন্দুক ঠেকিয়ে স্ত্রীকে ধর্ষণ, যেভাবে ধরা পড়লেন অভিযুক্তরা

তিনি আরো বলেন, ২০১৩ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে কাতারের নাগরিক মাহমুদ আল জাইদাহ, হামিদ আল হাম্মাদি এবং ইউসুফ আল মুল্লাকে বিনা অপরাধে কারাগারে আটকে রেখেছে আমিরাত।

জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে মাহমুদ আল জাইদাহ জানান, দুবাই বিমানবন্দরে আটকের পর কোনো অভিযোগ ছাড়াই তাকে ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ মাস ধরে আটকে রাখা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, বিমানবন্দরে আটকের তিনপর পর আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, আমি নাকি মুসলিম ব্রাদারহুডের সদস্য এবং সংগঠনটিকে অর্থায়ন করি। তবে বরাবরই সেই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন তিনি।

আরো পড়ুন : সুষম প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নে ভারত পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

মাহমুদ বলেন, আটকে রাখা অবস্থায় ঠিকমতো ঘুমাতে দেওয়া হতো না, মারধর করা হতো এবং বিদ্যুতের শক দেওয়ার ভয় দেখিয়ে লিখিত স্বীকারোক্তি নেওয়া হতো।

এ ব্যাপারে তিনি জানান, আমি যে নির্যাতন সহ্য করেছি তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। পরিস্থিতি এমন ছিল যে, আমি কোনো কিছু না দেখেই স্বাক্ষর করেছি।

সূত্র : আলজাজিরা


মন্তব্য