kalerkantho


ট্রাম্পের স্ত্রী-কন্যার মন্তব্য জানতে চান মেরিল স্ট্রিপ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৫ জানুয়ারি, ২০১৮ ১১:৪৮



ট্রাম্পের স্ত্রী-কন্যার মন্তব্য জানতে চান মেরিল স্ট্রিপ

মি টু হ্যাশট্যাগ সম্পর্কে নিজে কেন চুপ ছিলেন এতদিন তার ব্যাখ্যা দিয়ে মেরিল স্ট্রিপ বলেছেন, এ বিষয়ে মেলানিয়া ও ইভাঙ্কা ট্রাম্পের মতো অন্য ক্ষমতাধর নারীরাও কিছু বলেননি। মি টু হ্যাশট্যাগ সম্পর্কে কিছু না বলায় অস্কার জয়ী এই হলিউড অভিনেত্রীকে এর আগে সমালোচনা শুনতে হয়েছে। নিউ ইয়র্ক টাইমসকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এর ব্যাখ্যা দিয়েছেন মেরিল।


আরো পড়ুন:


তিনি বলেন, হলিউড প্রযোজক হার্ভে উইনস্টেইনের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির যেসব অভিযোগ উঠেছে, সে সম্পর্কে তাঁর কিছু জানা নেই। তাই এ সম্পর্কে কোনো মন্তব্যে যাননি তিনি। তাঁর অনেক মেয়েবন্ধু ছিলেন বলে জানি। কিন্তু কাজের জন্য যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হতে মেয়েরা বাধ্য হয়েছে, এটা বললে আসলে মেয়েগুলোর যোগ্যতা নিয়েই প্রশ্ন তোলা হয়। আর হার্ভি কখনো আমাকে হোটেল রুমে ডাকেননি। গেল বুধবার দেয়া সাক্ষাৎকারে বলছিলেন কিংবদন্তী এই অভিনেত্রী।

এ কারণেই সাময়িকভাবে চুপ ছিলেন বলে জানিয়ে মেরিল বলেন, আমি বুঝতে পারিনি মানুষ এ বিষয়ে আমার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইছিল। আর উইনস্টেইন এত ভালো ভালো কাজ করেছেন যে, তিনি যে এতটা বাজে লোক হতে পারেন, তা হজম করতেও সময় নিচ্ছিলেন বলে জানালেন স্ট্রিপ।

মেরিল বলেন, আরো অনেক ক্ষমতাধর নারী আছেন। তাঁরাও কেন এসব ব্যাপারে চুপ, তা জিজ্ঞেস করুন। মেলানিয়া ট্রাম্প কেন চুপ, তা জানতে চাই। আমি তাঁর কাছ থেকে শুনতে চাই। তাঁরও খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু বলার থাকতে পারে। এমনকি ইভাঙ্কা ট্রাম্পের কাছ থেকেও...।


আরো পড়ুন:


কৃষ্ণাঙ্গ নারী তারানা বুর্কে ২০০৬ সালে যৌন নির্যাতনবিরোধী মি টু আন্দোলন শুরু করেছিলেন। এরপর হলিউডের প্রযোজক হার্ভে উইনস্টেইনের যৌন কেলেঙ্কারির খবর ফাঁসের সূত্র ধরে মার্কিন অভিনেত্রী অ্যালিসা মিলানো গেল বছর আবারো মি টু হ্যাশট্যগের এই প্রচারণা শুরু করেন।
সূত্র: ডয়েচে ভেলে

 



মন্তব্য