kalerkantho


প্রেম করে বিয়ে করায় চাকরি হারালেন শিক্ষক-শিক্ষিকা!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৫ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০৩:৪৬



প্রেম করে বিয়ে করায় চাকরি হারালেন শিক্ষক-শিক্ষিকা!

ছবি: ইন্টারনেট থেকে

প্রেম করে বিয়ে করায় চাকরি হারালেন একই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা! প্রেম থেকে তারা বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন- এমন অভিযোগেই কর্তৃপক্ষ তাদের এ শাস্তি দেয়!

ভারতের জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলার একটি বেসরকারি স্কুলে সম্প্রতি এ ঘটনা ঘটে। বিয়ের এক মাস আগেই ছুটির জন্য দরখাস্ত করেছিলেন শিক্ষক-শিক্ষিকা। একই স্কুলের দুটি পৃথক বিভাগে কর্মরত ছিলেন তারা।

আবেদন মঞ্জুরও করে স্কুল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু ঠিক বিয়ের দিন জানা যায়, চাকরি হারিয়েছেন উভয়েই। দুজনকেই বরখাস্ত করেছেন স্কুল কর্তৃপক্ষ। চমকের বাকি ছিল তখনও। নবদম্পতিকে জানানো হয়, তারা ‘প্রেম’ করে বিয়ে করেছেন। স্কুলের মধ্যে শিক্ষক-শিক্ষিকার ‘রোম্যান্টিক সম্পর্ক’ পড়ুয়াদের উপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। তাই এই সিদ্ধান্ত।

প্যামপর মুসলিম এডুকেশনাল ইনস্টিটিউট নামে ওই স্কুলটিতে ছেলে এবং মেয়েদের জন্য দুটি পৃথক বিভাগ রয়েছে। সেখানেই গত কয়েক বছর ধরে কাজ করছেন তারিক ভাট এবং সুমায়া বাসির নামে ওই শিক্ষক-শিক্ষিকা।

গত ৩০ নভেম্বর তাদের বিয়ের দিন ঠিক হয়। স্কুল কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে এক মাস আগেই ছুটির আবেদন করেন তারা। সেই আবেদন মঞ্জুরও হয়। কিন্তু তার পরই বেঁকে বসে স্কুল কর্তৃপক্ষ।

শিক্ষক তারিক বলেছেন, প্রেম নয়, বরং দেখাশোনা করেই বিয়ে হয়েছে আমাদের। বিষয়টি গোটা স্কুলই জানে। বিয়ে ঠিক হওয়ার পর সুমায়া স্কুলের কর্মীদের জন্য পার্টিও দিয়েছিল।

অবশ্য এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত মুখ খোলেননি স্কুলের প্রিন্সিপাল। যাবতীয় অভিযোগের ব্যাপারে স্কুলের চেয়ারম্যান বাসির মাসুদির বক্তব্য, বিয়ের আগেই রোম্যান্টিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন ওই শিক্ষক-শিক্ষিকা। তাই তাদের বরখাস্ত করা হয়েছে। এরই পাশাপাশি তার দাবি, এই স্কুলে দুইহাজার পড়ুয়া এবং ২০০জন কর্মী রয়েছেন। শিক্ষক-শিক্ষিকার এমন আচরণ তাদের জন্য ঠিক নয়।

স্কুলের সিদ্ধান্ত যা-ই হোক না কেন নিজেদের সিদ্ধান্ত অটল ওই দম্পতি। তারা বলছেন, আমরা বিয়ে করেছি। এটাই ঠিক সিদ্ধান্ত। কোনো অপরাধ বা পাপ করিনি। সূত্র: আনন্দবাজার



মন্তব্য