kalerkantho


জ্বালামুখে ধোঁয়ার কুণ্ডলী, পালাচ্ছে মানুষ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২২ নভেম্বর, ২০১৭ ১৭:১৩



জ্বালামুখে ধোঁয়ার কুণ্ডলী, পালাচ্ছে মানুষ

যেকোনো সময় অগ্ন্যুৎপাত ঘটতে পারে মাউন্ট আগুংয়ে

ধোঁয়ার কুণ্ডলী বেরিয়ে আসছে ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপের একটি আগ্নেয়গিরি থেকে। ভীতি ছড়িয়ে দিচ্ছে ঘটনাটি।

অনেকেই মনে করছেন, বিগত ৫০ বছরেরও বেশি সময় পর প্রথমবারের মতো হয়তো অগ্ন্যুৎপাত ঘটতে চলেছে। পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় এই দ্বীপ ছেড়ে নিরাপদে সরে যাচ্ছেন সবাই।  

মাউন্ট আগুং এর জ্বালামুখ দিয়ে ধোয়াঁর কুণ্ডলী ৭০০ মিটার (২৩০০ ফুট) উঁচুতে উঠে গেছে। মঙ্গলবার দুপুরের পর পরই এ অবস্থা দেখা যায়। আশপাশে বসবাসরত মানুষদের দলে দলে পালিয়ে যেতে দেখা গেছে।  

১৯৬৩ সালে মাউন্ট আগুংয়ে অগ্ন্যুৎপাতে ১৬০০ মানুষ মারা যায়। সেপ্টেম্বরে ধোঁয়া বেরোতে থাকলে এক লাখ ৪০ হাজার মানুষ সরে যান। পরে আগ্নেয়গিরি শান্ত হয়ে এলে আবারও তারা বাড়িতে ফিরে আসেন। এখন আবারো হাজার হাজার মানুষের জীবন হুমকির মুখে পড়ে গেলো।

এখন পর্যন্ত ৩০ হাজার মানুষ ফেরার চিন্তাও করছেন না।  

স্থানীয় বাসিন্দা নাইয়োমান সাদি বলেন, এখানে আমরা মাত্র ১৩ জন রয়েছি। আমরা ভয়ের মধ্যে সময় কাটাচ্ছি। আমাদের প্রতিবেশীরা সব চলে গেছেন।  

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মকর্তারাও হুঁশিয়ার করে বলেছেন, মাউন্ট আগুংয়ের সক্রিয় তৎপরতা দেখা যাচ্ছে। এর উপরিভাগ বিস্ফোরিত হতে পারে। অবশ্য ইন্দোনেশিয়ার ভলকানোলজি সেন্টার সবাইকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছে।  

অনেকেই জানান, ধোঁয়া জ্বালামুখ থেকে প্রায় ৭০০ মিটার উঁচুতে উঠে যায়। এরপর ঘন কুণ্ডলীও দেখা গেছে। প্রায় ৩ ঘণ্টা ধরে ধোঁয়া বেরোচ্ছিল। যদিও প্রচুর ধোঁয়া বের হচ্ছে, তবুও এখন পর্যন্ত কোনো বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেনি।  

বালির পর্যটন এলাকা থেকে ৪৫ মাইল দূরেই মাউন্ট আগুং। প্রতিবছর এই পর্বতের টানেই হাজার হাজার পর্যটক ছুটে আসেন।  

এ ঘটনা দেশটির বিমান চলাচলকেও বাধাগ্রস্ত করেছে। কয়েক মাস ধরে ধোঁয়ার কারণে ১১০ মিলিয়ন ডলারের ক্ষতির শিকার হয়েছে দেশটির বিমানব্যবস্থপনা।  

এই মুহূর্তে আরেক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে সুমাত্রার মাউন্ট সিনাবাং। এটি ২০১৩ সাল থেকে সক্রিয় হয়েছে। সূত্র : এমিরেটস 


মন্তব্য