kalerkantho


‘ভারতে ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজনের বিপক্ষে ছিলেন ইন্দিরা গান্ধী’

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ নভেম্বর, ২০১৭ ২০:০৩



‘ভারতে ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজনের বিপক্ষে ছিলেন ইন্দিরা গান্ধী’

ইন্দিরা গান্ধী একটি ধর্মেই বিশ্বাসী ছিলেন। দেশমাতৃকার সব সন্তানই সমান- এটাই ছিল তাঁর বিশ্বাস।

ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর জন্মশতবার্ষিকীতে এই ভাষাতেই শ্বাশুড়িকে বর্ণনা করলেন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী।

তিনি বলেন, ইন্দিরা গান্ধী সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে লড়েছেন। যাঁরা ধর্ম ও জাতপাতের ভিত্তিতে মানুষকে আলাদা করতে চেয়েছেন, তাঁদের বিরোধিতা করেছেন।

দিল্লির ইন্দিরা গান্ধীর সরকারি বাসভবন ১, সফদরজঙ্গ রোডে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে সোনিয়া বলেন, ‘ইন্দিরাজি পেশাদারী প্রভূত্ব পেতে লড়াই করেননি। তিনি লড়েছেন নিজের নীতির জন্য, তিনি লড়েছেন স্বার্থান্বেষী এজেন্ডার বিরুদ্ধে। তিনি কখনও কোনও সাম্প্রদায়িক হিংসা, জোর জুলুম বা অনৈতিকতা সহ্য করেননি। এটাই ছিল তাঁর চরিত্রের মৌলিকতা। এটাই সব যুদ্ধে তাঁকে অনুপ্রাণিত করেছিল। ’

এই অনুষ্ঠানে সোনিয়া ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ও কংগ্রেসের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

ইন্দিরা গান্ধীর স্মৃতি স্মরণে একটি পত্রিকার উন্মোচন করেন মনমোহন সিং। ইন্দিরা গান্ধী মেমোরিয়াল ট্রাস্টের তরফে আয়োজন করা হয়েছিল ভারতের এই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে একটি প্রদর্শনী। যার নাম দেওয়া হয় ‘এ লাইফ অফ কারেজ। ’

সোনিয়া বলেন, ক্ষমতায় থাকাকালীন ইন্দিরাকে দারিদ্র, যুদ্ধ, সন্ত্রাসবাদের মতো নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়েছিল। তবে, ভারতকে আরও দৃঢ়, ঐক্যবদ্ধ ও উন্নত করার লক্ষ্যে সেই সব চ্যালেঞ্জকে তিনি দুর্দমনীয় সাহসের সঙ্গে মোকাবিলা করেছেন।

ভারতের উত্তরপ্রদেশের এলাহাবাদে ১৯১৭ সালের এই দিনেই জন্মেছিলেন দেশটির প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী।

সূত্র: টাইমস অফ ইন্ডিয়া


মন্তব্য