kalerkantho


সরকারি কর্মকর্তা স্বামীর মৃত্যুর ঘটনায় স্ত্রী গ্রেপ্তার

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১১ নভেম্বর, ২০১৭ ০৩:০৯



সরকারি কর্মকর্তা স্বামীর মৃত্যুর ঘটনায় স্ত্রী গ্রেপ্তার

ছবি: ইন্টারনেট থেকে

সরকারি কর্মকর্তা স্বামীর মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেপ্তার হলেন স্ত্রী। স্ত্রীর তিনদিনের পুলিশ হেফাজত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

শুক্রবার বারুইপুর মহকুমা আদালতে সোনারপুরে মৃত কমার্শিয়াল ট্যাক্সের জয়েন্ট কমিশনার সুকৃতি রায়ের স্ত্রী চন্দনা রায়কে তোলা হলে বিচারক তাঁকে তিনদিন পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।

বৃহস্পতিবার বিকেলেই সুকৃতি বাবুর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে সোনারপুর থানার পুলিশ চন্দনাকে গ্রেপ্তার করেছিল। তাঁর বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচণা ও মানসিক নির্যাতনের ধারাসহ কয়েকটি ধারায় পুলিশ মামলা শুরু করেছে। এই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ তাঁদের ১০ বছরের নাবালক ছেলের জবানবন্দি নথিভুক্ত করেছে। তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ওই বালকের জবানবন্দি থেকে জানা গেছে, সরকারি কর্মকর্তা এবং তাঁর স্ত্রীর মধ্যে মাঝেমধ্যেই ঝগড়া–অশান্তি হতো। এমনকি মারধরও। কয়েকদিন ধরেই দুজনের মধ্যে অশান্তি চলছিল।

এদিকে, সুকৃতিবাবুর এই মৃত্যু ঘিরে দুই পরিবারই একে অপরের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। একদিকে যেমন সুকৃতি বাবুর বাবা সুবোধ চন্দ্র রায় পুত্রবধূ চন্দনা রায় এবং তাঁর মা তরুলতা এবং দিদি সুজাতা রায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন।

তেমনই চন্দনা রায়ের বাবা সুনীল রায়ও এই ঘটনায় সুকৃতি রায়ের বাবা সুবোধ চন্দ্র রায় এবং তাঁর ছেলেদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছেন। পুলিশ দুই পক্ষের অভিযোগ নিয়েই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। সুকৃতি বাবুর বাবা এবং ভাইদেরও পুলিশ জেরা শুরু করেছে।

এদিন আদালত চত্বরে চন্দনা কোনো কথা বলতে চাননি। তাঁর বাবা সুনীল রায় অবশ্য মেয়েকে ফাঁসানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন।

পুলিশ জানায়, চন্দনাকে জেরা করে প্রকৃত তথ্য জানার চেষ্টা করা হবে। প্রসঙ্গত, বুধবার সন্ধ্যায় সোনারপুরের গড়িয়া–শ্রীনগরের বাড়িতে সরকারি কর্মকর্তা সুকৃতি রায়ের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। এরপরেই বৃহস্পতিবার দুই পরিবার একে অন্যের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ দায়ের করে। সূত্র: ইন্টারনেট


মন্তব্য