kalerkantho


সিওলে বিশ্ব শান্তি সম্মেলন অনুষ্ঠিত

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ১৬:৩২



সিওলে বিশ্ব শান্তি সম্মেলন অনুষ্ঠিত

গত ১৭ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর সিওলে অনুষ্ঠিত হলো বিশ্ব শান্তি সম্মেলন World Alliance of Religions' Peace Summit (WARP) 2017। তৃতীয় বারের মতো দক্ষিন কোরিয়ায় এই বিশ্ব সম্মেলনের আয়োজন করে Heavenly Culture, World Peace, Restoration of Light (HWPL) এবং সহআয়োজনে International Women's Peace Group (IWPG)।

সারা বিশ্বের প্রায় ১৪১ টি দেশ থেকে প্রায় এক হাজারের বেশি প্রতিনিধি এবারের সম্মেলনে অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে আছেন তিউনেশিয়ার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট Moncef Marzouki, ক্রোয়েশিয়ার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট Ivo Josipovic, বেলারুশের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট Stanislaw Shushkhevic, বেনিন জাতীয় পরিষদের প্রেসিডেন্ট Aderin Houngbedji, কসোভোর প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট Ms Atifete Jahjaga, জাম্বিয়ার আইনমন্ত্রী Given Lubinda, ভারতের স্বর্নমন্দিরের প্রধান Singh Sahib Giani Gurbachan Singh ji সহ বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক, সামাজিক, শিক্ষা, আইন, ধর্মীয়, মহিলা, যুব এবং গণমাধ্যমে কর্মরত বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বগণ। বাংলাদেশ থেকে এবারের এই সম্মেলনে অংশগ্রহন করেন বিশিষ্ট আন্তর্জাতিক মিডিয়া বিশেষজ্ঞ খ ম হারূন।
সম্মেলনের প্রথমদিনে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের সাথে HWPL এর চেয়ারম্যান Man Hee Lee, এবং IWPG এর চেয়ারপার্সন Ms Nam Hee Kim মতবিনিময় করেন। সেখানে বিভিন্ন দেশের সাংবাদিকরা তাদের দেশের পরিস্থিতি তুলে ধরেন। অন্যদিকে বিশ্বশান্তি প্রচেষ্টায় HWPL এর ভুমিকা ব্যাখ্যা করেন সম্মেলনের চেয়ারম্যান এবং IWPG এর চেয়ারম্যান।
এবারের আয়োজনের শীর্ষ সম্মেলন 3rd Annual  Commemoration অনুষ্ঠিত হয় ১৮ সেপ্টেম্বর সিওলের পিস ভিক্টরি স্টেডিয়ামে। সারাদিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানে দক্ষিন কোরিয়ার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের শান্তির প্যারেডের পাশাপাশি ছিলো বর্নময় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। এই আয়োজনে বিভিন্ন দেশের নেতৃবৃন্দ বর্তমান বিশ্ব বাস্তবতায় শান্তিসম্মেলনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।


অন্যদিকে সিওল টেলিভিশনে এক সাক্ষাত্কারে বাংলাদেশের টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব খ ম হারূন এই সম্মেলন বিশ্বশান্তি নিশ্চিত করার জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা ব্যাখ্যা করেন। এ সময়ে মায়মানমারে রহিঙ্গা হত্যার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন তিনি। বিশ্ব সম্মেলনের নেতৃবন্দসহ উপস্থিত বিভিন্ন দেশের সাংবাদিকরা রোহিঙ্গা প্রসঙ্গকে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখার সুপারিশ করেন।
সিওলের বাইরে ৩০ টি দেশের ২৩০ টি শহর হতে দুই লাখ মানুষ সরাসরি মূল অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করেন, যার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিন আফ্রিকা, যুক্তরাজ্য, চীন, ভারত, ফিলিপাইন উল্লেখযোগ্য। সমগ্র অনুষ্ঠানটি বিভিন্ন দেশ হতে সরাসরি সম্প্রচারিত হয়।

 


মন্তব্য