kalerkantho


ট্রাম্পের চিফ স্ট্র্যাটেজিস্ট স্টিভ ব্যানন বরখাস্ত

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২০ আগস্ট, ২০১৭ ০৩:৩২



ট্রাম্পের চিফ স্ট্র্যাটেজিস্ট স্টিভ ব্যানন বরখাস্ত

ট্রাম্প প্রশাসনের শীর্ষ ব্যক্তিদের বরখাস্তের তালিকায় এবার যুক্ত হল স্টিভ ব্যাননের নাম। হোয়াইট হাউজে শুক্রবারই যে ছিল তার শেষ দিন, সেকথা নিশ্চিত করেছেন প্রেস সেক্রেটারি সারা স্যান্ডার্স। তবে হোয়াইট হাঊজের পক্ষ থেকে ৬৩ বছর বয়সী স্টিভ ব্যানন পদত্যাগ করেছেন না তাকে পদ ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে তা নির্দিষ্ট করে জানানো হয়নি। সংবাদ মাধ্যমের খবর তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

ট্রাম্পের প্রেস সেক্রেটারি সারা স্যান্ডার্স এক বিবৃতিতে বলেন, চিফ অব স্টাফ জন কেলি ও স্টিভ ব্যানন পরস্পর আলোচনার পর একমত হন যে আজ(শুক্রবার)ই হবে স্টিভ ব্যাননের শেষ দিন। ’

শার্লটসভিলে শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্ববাদীদের মিছিলে কিছু ‘ভাল মানুষও’ ছিল- এমন বক্তব্য দিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিশ্বজুড়ে সমালোচনার মুখে পড়েছেন এমন প্রেক্ষাপটে বরখাস্ত হলেন ব্যানন। অথচ ক্ষমতায় আসার পর ডোনাল্ড ট্রাম্প উগ্র ডানপন্থী জাতীয়তাবাদী ব্যাননের জন্যেই এই পদটি সৃষ্টি করেছিলেন।

ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণায় ‘আমেরিকা ফার্স্ট' দর্শনকে একটি গ্রহণযোগ্য পর্যায়ে নিয়ে যাবার ক্ষেত্রে এই গোল্ডম্যান স্যাশ ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকার ব্যাননের বড় ভূমিকা ছিল। ট্রাম্পের জয়ের অন্যতম কারিগর বলেও মনে করা হয় তাকে।

কিন্তু সমালোচকদের অভিযোগ ছিলো যে, ব্যানন এন্টি-সেমেটিক এবং শ্বেতাঙ্গ জাতীয়তাবাদীদের পৃষ্ঠপোষকতা করছেন। তিনি হোয়াইট হাউজের অন্য পরামর্শক এবং ট্রাম্প পরিবারের সাথেও দ্বন্দ্বে জড়িয়েছিলেন বলে শোনা যায়।

রিপাবলিকান দলের কয়েকজনের সাথেও তৈরি হয়েছিল শত্রুতা। সেই সাথে মতের মিল হচ্ছিলো না হোয়াইট হাউজের শীর্ষ কর্মকর্তা ম্যাক মাস্টার এবং জেনারেল কেলির সাথেও।

প্র্রেসিডেন্টের জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিলের উপদেষ্টা গ্যারি কোন, মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্প ও তার স্বামী জ্যারেড কুশনারও ব্যাননকে কিছু ক্ষেত্রে হুমকি হিসেবে বিবেচনা করছিলেন বলে জানা যায়।

উগ্র ডানপন্থী সংবাদমাধ্যম ব্রাইবার্ট নিউজের সাবেক প্রধান ব্যানন তার পুরনো কর্মক্ষেত্রে ফিরে যাচ্ছেন জানিয়ে বলেছেন, তিনি বরাবরের মতোই ট্রাম্পের পক্ষে থেকে তার রাজনীতি, বাণিজ্য আর সংবাদমাধ্যমের শত্রুদের মোকাবেলা করবেন। ব্যাননের চলে যাবার মধ্য দিয়ে হোয়াইট হাউজের অস্থিতিশীলতা আরও প্রকট হল।

এর আগে কেবল জুলাই মাসেই ট্রাম্প প্রশাসন থেকে চলে যেতে হয় যোগাযোগ উপদেষ্টা অ্যান্থনি স্কারামুচি, চিফ অফ স্টাফ রায়ান্স প্রিবাস ও মুখপাত্র শন স্পাইসারকে। আর বছরের শুরুতে চাকরি হারান এফবিআই ডিরেক্টর জেমস কোমি এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইকেল ফ্লিন।


মন্তব্য