kalerkantho


যুক্তরাষ্ট্রের ১২ ঘাঁটি থেকে অবৈধ অভিবাসীদের বিতাড়নের পরিকল্পনা

নিউ ইয়র্ক প্রতিনিধি    

১৮ মার্চ, ২০১৭ ১৩:২৪



যুক্তরাষ্ট্রের ১২ ঘাঁটি থেকে অবৈধ অভিবাসীদের বিতাড়নের পরিকল্পনা

যুক্তরাষ্ট্রের ১২ ঘাঁটি থেকে অবৈধ অভিবাসীদের দ্রুত তাড়ানোর ব্যবস্থা নিয়েছে মার্কিন সরকার। বিভিন্ন বিচারপতিদের একত্রিত করে ১২ শহরে পাঠানোর পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ। বিভিন্ন অপরাধে অভিযুক্ত অবৈধ অভিবাসীদেরকে বিতাড়িত করার দায়িত্ব তাদেরকে সাময়িকভাবে দেওয়া হবে। তবে ঠিক কতজন বিচারপতিকে এ কাজে নিয়োজিত করা হবে এবং তাদেরকে কখন ওই ১২ শহরে পাঠানো হবে- তা এখনও পর্যালোচনাধীন।

যে ১২ শহরে বিচারপতিদের নিয়োজিত করার কথা ভাবা হচ্ছে সেগুলো হলো নিউ ইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, মায়ামি, নিউ অরলিন্স, স্যান ফ্রান্সিসকো, বাল্টিমোর, ব্লুমিংটন, মিনেসোটা, এল পাসো, টেক্সাস, হারলিনজেন, টেক্সাস, ইমপেরিয়াল, ক্যালিফোর্নিয়া, ওমাহা, নেব্রাস্কা এবং আরিজোনার ফোয়েনিক্স। প্রশাসনিক কর্মকর্তা জানান, এসব এলাকায় অপরাধের অভিযোগ সম্বলিত অবৈধ অভিবাসীদের বসবাস হওয়ায় এ শহরগুলোকেই বেছে নেওয়া হয়েছে। অবৈধ অভিবাসীদের ওপর ট্রাম্প প্রশাসনের নেওয়া ধরপাকড় উদ্যোগের অংশ হিসেবে দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলীয় সীমান্তে আটককেন্দ্রগুলোতেও বিচারকদের পাঠাচ্ছে বিচার বিভাগ। সোমবার থেকে সেখানে বিচারক মোতায়েন শুরু হবে।

তবে ট্রাম্প প্রশাসনের এমন পদক্ষেপের সমালোচনা করেছেন সাবেক অভিবাসন বিচারপতি ও বোর্ড অব ইমিগ্রেশন আপিলসের চেয়ারম্যান পল শমিত। তার মতে, অপরাধে অভিযুক্তদেরকে যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে বসবাসের অনুমতি দেওয়া যাবে না এমনটা ভাবা ঠিক নয়। তিনি বলেন, 'এ ধরনের পদক্ষেপ দেখে মনে হচ্ছে যারা অপরাধ করে তাদের প্রত্যেককে সরিয়ে দেওয়া দরকার বলে একটি ধারণা দেখা যাচ্ছে, কিন্তু এটা সত্যি বলেই মেনে নিতে হবে এমন কোনও কথা নেই।

এমনকি যেসব মানুষ গুরুতর অপরাধ করে তারাও মাঝেমাঝে আশ্রয় পেতে পারে। '

অভিবাসন বিচারপতিদের এক আদালত থেকে অন্য আদালতে স্থানান্তর থেকে আদতে কোনও ফল পাওয়া যাবে কিনা- তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন শমিত। তার মতে, এতে বিচারপতি আগের আদালতে যে মামলা পরিচালনা করছিলেন তা ব্যাহত হতে পারে। এমনকি সেসব মামলা পরিচালনায়অও নানা ধরনের বিড়ম্বনা দেখা দিতে পারে আশঙ্কা করা হচ্ছে।


মন্তব্য