kalerkantho


নিজদলের এমপির বোনের সঙ্গে ইমরান খানের অবৈধ সম্পর্ক!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১০ মার্চ, ২০১৭ ২১:৪৭



নিজদলের এমপির বোনের সঙ্গে ইমরান খানের অবৈধ সম্পর্ক!

পাকিস্তানের রাজনীতিতে বিরোধীদলগুলো মুখোমুখি হলে তাদের মধ্যে গালমন্দ ছোড়াছুড়ি নতুন কিছু নয়। কিন্তু অতি সম্প্রতি খ্যাতিমান সাবেক ক্রিকেট তারকা ও রাজনীতিবিদ ইমরান খানের দল পিটিআই'য়ের (পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ) এক নেতার সঙ্গে পিএমএল-এন'য়ের (পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ) আরেক নেতার বিবাদ চারদিকে তোলপাড় তুলছে।

পিটিআই'য়ের মুরাদ সাঈদের সঙ্গে পিএমএল-এন'য়ের জাভেদ লতিফের ঝগড়া আবারো রাজনীতিবিদদের নোংরা ভাষা চালাচালির বিষয়কে স্পষ্ট করলো। ডনের এক প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়।

পার্লামেন্টের এক সেশনে ওই দুই আইনপ্রণেতার মধ্যে লেগে যায়। পরবর্তিতে এক প্রেস কনফারেন্সে বলা হয়, পিটিআই'য়ের চেয়ারম্যান ইমরান খানের সঙ্গে মুরাদ সাঈদের বোনকে কেন্দ্র করে অশ্লীল মন্তব্য করেন পিএমএল'য়ের এ জাভেদ লতিফ।

ডনের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, তার মন্তব্যকে (লতিফ) সেন্সর করতে পার্লামেন্টের সব অংশ থেকে আহ্বান জানানো হয়। এ ঘটনায় সবাই লতিফের নাম এত বেশি উচ্চারণ করেছেন যে, টুইটারে তিনি তারকা বনে গেছেন।

বিশেষ করে নারীদের নিয়ে পাক রাজনীতিবিদদের বাজে মন্তব্য অহরহ শোনা যায়। এমনকি পার্লামেন্টে এমন ঘটনা এটাই প্রথম নয়। এর একটি তালিকা এখানে দেখে নিন।

১. উজ্জ্বল রংয়ের পোশাক পড়ার জন্য বেনজির ভুট্টোকে বহুবার গালমন্দ শুনতে হয়েছে। প্রখ্যাত সাংবাদিক নুসরাত জাভেদের মতে, নারীদের প্রতি অশ্লীল বা কটূ মন্তব্য ছুড়ে দেওয়া যারা শুরু করেছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম শেখ রাশিদ। একবার বেনজির পাকিস্তানি সবুজ শার্ট এবং সাদা সালোয়ার পরে এসেছিলেন। তাকে দেখে রাশিদ বলেছিলেন, আপনাকে একটা সত্যিকারের টিয়া পাখির মতো লাগছে। এ কথা মোটেও ভালো লাগেনি বেনজির ভুট্টোর। আরেকবার রাশিদ মর্যাদাহানিকর মন্তব্য করেন ভুট্টোর পোশাক নিয়ে।

২. বেগম জাহিদ খালেকুজ্জামান রেলমন্ত্রী থাকাকালীন কাজের চাপ বোঝাতে একবার বলেছিলেন, কাজ এত বেশি যে আমার এক পা থাকে করাচিতে আরেক পা থাকে রাওয়ালপিন্ডিতে। এ প্রসঙ্গে নুসরাত জাভেদ জানান, বেগম জাহিদের এমন কথা শুনে কেউ একজন পেছন থেকে বললেন, তাহলে তো রহিম ইয়ান খানের লোকেরা বেশ উপভোগ করছেন।

৩. একবার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খাওয়াজা আসিফ পিএমএল-কিউ'য়ের বেগম মেহনাজকে 'পেঙ্গুইন' বলেন কটুক্তি করেন। মেহনাজের চলাফেরার ভঙ্গী নিয়ে এমন মন্তব্য করা হয়।

৪. গত বছরের জুনে পাক পার্লামেন্টের এক সেশনে খাওয়াজা আসিফ বক্তব্য দিচ্ছিলেন। তখন তার কিছু পয়েন্ট নিয়ে আপত্তি তোলেন শিরিন মাজারি। এর জন্য শিরিনকে 'ট্রাক্টর ট্রলি' বলে ডাকেন আসিফ।

৫. একবার ইসলামাবাদ বিমানবন্দরের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে অভিযোগ তোলেন শিরিন মাজারি। তার অভিযোগ ছিল স্টেট মিনিস্টার অব পার্লামেন্টারি অ্যাফেয়ার্স শেভ আফতাবের কাছে। প্রতুত্তরে আফতাব বলেছিলেন, বাইরের বিমানবন্দরগুলোতে আপনাকে নগ্ন করেও তল্লাসি করা করতে পারে। এমন আন্তর্জাতিকমানের নিরাপত্তাব্যবস্থাই তিনি চাইছেন কিনা। সূত্র: ডন

 


মন্তব্য