kalerkantho


উড়োজাহাজ নাকি লোকাল বাস?

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০১:০৬



উড়োজাহাজ নাকি লোকাল বাস?

অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে বাস কিংবা লঞ্চযাত্রার কথা আমাদের শোনা। এবার উড়োজাহাজের ঘটল সেই ঘটনা। তা-ও আবার এক বা দুজন নয়, সাতজন যাত্রীকে দাঁড় করিয়ে আকাশে ওড়ার অভিযোগ উঠেছে পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনসের (পিআইএ) একটি ফ্লাইটের। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পরই পিআইএর বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, পিআইএর একটি উড়োজাহাজে 'যাত্রী সুরক্ষা নীতি' লঙ্ঘন করে যাত্রীদের আসনে মাঝের ফাঁকা জায়গায় (হাঁটার পথ) সাত যাত্রীকে দাঁড়িয়ে নেওয়া হয়েছে। পিআইএর ওই উড়োজাহাজটি 'বোয়িং ৭৭৭' মডেলের। ককপিটের আসনসহ উড়োজাহাজে বসার আসন ছিল ৪০৯ জনের।  

কিন্তু ২০ জানুয়ারির পাকিস্তানের করাচি থেকে সৌদি আরবের মদিনাগামী ওই ফ্লাইটে যাত্রী ওঠানো হয় মোট ৪১৬ জন। অতিরিক্ত ওই সাত যাত্রীকে দাঁড়ানো অবস্থায় গন্তব্যে নিয়ে যায় উড়োজাহাজটি। দীর্ঘ তিন ঘণ্টা দাঁড়িয়েই গন্তব্য যান ওই সাত যাত্রী।

পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় দৈনিক ডন ওই ঘটনা ফাঁস করে দেওয়ার পর শুরু হয় নানা আলোচনা-সমালোচনা।

উড়োজাহাজে প্রত্যেক যাত্রীর জন্য কম্পিউটারাইজড পদ্ধতিতে 'বোর্ডিং পাস' দেওয়া হয়। কিন্তু ওই ফ্লাইটে বাড়তি যাত্রী কীভাবে পাস পেল, সেই প্রশ্ন উঠেছে। পরে অনুসন্ধানে জানা গেছে, তাদের বোর্ডিং পাস স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে হয়নি। বোর্ডিং পাস হাতে লেখা। ফলে বিষয়টি কম্পিউটার-নিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে ধরা পড়েনি। এ ঘটনায় এরই মধ্যে তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

তবে পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনস এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে বলে বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়েছে।

পিআইএ মুখপাত্র দানিয়েল গিলানি বলেছেন, দাঁড়িয়ে যাত্রী গন্তব্য নেওয়ার বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। গিলানি বিবিসিকে বলেন, অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু হয়েছে এবং যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। যদি কেউ দোষী সাব্যস্ত হয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে কোম্পানি আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


মন্তব্য