kalerkantho


ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির বড় শিকার হতেন তার স্ত্রী মেলানিয়া!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৪:৩৬



ট্রাম্পের অভিবাসন নীতির বড় শিকার হতেন তার স্ত্রী মেলানিয়া!

১৯৯০ এর দশকের যে সময়টাতে মেলানিয়া যুক্তরাষ্ট্রে মডেলিংয়ে ক্যারিয়ার গড়ছিলেন সে সময় যদি ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হতেন তাহলে হয়ত তার স্ত্রী মেলানিয়াকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার ও নিষিদ্ধ করা হতো। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন অ্যাটর্নি এ কথা বলেছেন।

১৯৯৬ সালে মেলানিয়া ভ্রমণ ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করে মডেলিংয়ে ক্যারিয়ার গড়ছিলেন। যা ছিল অবৈধ। বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস জানিয়েছে তাদের হাতে এর প্রমাণ সংবলিত কিছু নথিপত্রও এসেছে।

মেলানিয়া ট্রাম্প সে সময় সাত সপ্তাহ ধরে অবৈধভাবে মডেলিং করে ২০ হাজার ডলার আয় করেছিলেন। সাত সপ্তাহ পর তিনি যুক্তরাষ্ট্রে কাজ করার আইনি অনুমোদন পান।

২০০১ সালে মেলানিয়া গ্রিন কার্ড পান। আর ২০০৬ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের একজন স্বাভাবিক নাগরিক হন। তবে এ সময় তার অতীতের কোনো অবৈধ তৎপরতার কথা প্রকাশ করেননি মেলানিয়া।

গতমাসে ট্রাম্প যে নতুন অভিবাসন নীতিমালা প্রণয়ন করেছেন তাতে বলা হয়েছে, "যে অভিবাসীরা সরকারি কোনো কাজে বা সংস্থার সঙ্গে প্রতারণা করেছে বা ইচ্ছাকৃত মিথ্যা বর্ণনার আশ্রয় নিয়েছে তাদেরকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার করা হবে।

"

মেলানিয়াও তার ভ্রমণ ভিসার সীমা লঙ্ঘন করে বেআইনিভাবে কাজ করেছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের পূ্র্ণ নাগরিকত্বের আবেদন করার সময় সে কথা গোপন করে গেছেন। ফলে মেলানিয়াও এই ক্যাটাগরিতে পড়েন।

২৫ জানুয়ারি ট্রাম্প যে নির্বাহী আদেশ জারি করেছিলেন সেটি যদি কার্যকর হতো এবং মেলানিয়া যদি ১৯৯০ এর দশকে পুলিশের হাতে ধরা পড়তেন তাহলে হয়ত মেলানিয়াকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার করতে হতো। এমনকি যদি ২০০৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ নাগরিকত্ব পাওয়ার আগে যেকোনো সময় মেলানিয়া পুলিশের হাতে ধরা পড়তেন তাহলেও তাকে ট্রাম্পের আইন অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার করতে হতো।

তাত্ত্বিক দিক থেকে দেখলে মেলানিয়া ট্রাম্পকে এখনো যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কার করা যায়; এই অভিযোগে যে, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ নাগরিকত্ব পেতে সে সংশ্লিষ্ট তার নিজের তৎপরতার তথ্য ইচ্ছাকৃতভাবে ভুলভাবে উপস্থাপন বা গোপন করেছেন।
তবে এমনটা করা হয় শুধু সন্ত্রাসী বা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মতো চরম কোনো ইস্যুতে।
সূত্র : দ্য ইনডিপেনডেন্ট


মন্তব্য