kalerkantho


কোল্ডওয়ারের পর অস্ত্র বিক্রি সর্বোচ্চে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৩:২২



কোল্ডওয়ারের পর অস্ত্র বিক্রি সর্বোচ্চে

শীতল যুদ্ধের পর গত পাঁচ বছরে বিশ্বব্যাপী অস্ত্র বিক্রি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। এ ক্ষেত্রে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো অস্ত্র আমদানি প্রায় দ্বিগুণ করেছে এবং অস্ত্র রপ্তানির ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলো প্রথম সারিতে রয়েছে। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

দ্য স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (সিপরি) সোমবার তাদের বার্ষিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়। এতে বলা হয়, ১৯৯০ সালের পর ২০১২ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে সর্বাধিক অস্ত্র সরবরাহ করা হয়েছে।

ভারতের পর সৌদি আরবই বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অস্ত্র আমদানিকারক দেশ। প্রধানত যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য থেকে অস্ত্র আমদানি করে সৌদি আরব। আর এ ক্ষেত্রে সম্প্রতি শতকরা ২১২ ভাগ ব্যয় বাড়িয়েছে দেশটি। এসব অস্ত্র ব্যবহার করেই সৌদি আরব প্রতিবেশী দেশ ইয়েমেনে সামরিক আগ্রাসন চালাচ্ছে। ইয়েমেন-সৌদির সামরিক অভিযানে এযাবৎ কয়েক হাজার বেসামরিক লোক নিহত হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত পাঁচ বছর ধরে এশিয়াই ছিল অস্ত্র বাণিজ্যের প্রধান ক্রেতা।

আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তান ও চীনের মোকাবিলায় বিপুল পরিমাণ অস্ত্র আমদানি করেছে ভারত। বৈশ্বিক মোট অস্ত্র আমদানিতে শতকরা ১৩ ভাগ একাই করে প্রথম স্থানে রয়েছে ভারত।

দেশটি তার অস্ত্রের বেশির ভাগই আমদানি করে রাশিয়া থেকে। আর সৌদি আরব তার অস্ত্রের জন্য প্রধানত নির্ভর করে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর। বৈশ্বিক অস্ত্র রফতানির অর্ধেকই সরবরাহ করে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া। চীন, ফ্রান্স ও জার্মানি শীর্ষ পাঁচ রফতানিকারক দেশের তালিকায় রয়েছে।

সিপরির অস্ত্র ও সামরিক ব্যয় কর্মসূচির সিনিয়র গবেষক সিমন ওয়েজেম্যান বলেন, ''আঞ্চলিক কোনো অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠান না থাকায় এশিয়ার দেশুগুলো তাদের অস্ত্রভাণ্ডার বিস্তার করেই চলেছে। '' মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে বিশেষ করে ভিয়েতনাম নাটকীয়ভাবে তার অস্ত্র আমদানি শতকরা ২০২ ভাগ বৃদ্ধি করে। অস্ত্র আমদানির ক্ষেত্রে দেশটি ১০ম অবস্থানে রয়েছে। এর আগের মেয়াদে ভিয়েতনাম ২৯তম অবস্থানে ছিল।


মন্তব্য