kalerkantho


মসুলের কয়েকটি গ্রামের দখল নিয়েছে ইরাকি বাহিনী

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১২:০১



মসুলের কয়েকটি গ্রামের দখল নিয়েছে ইরাকি বাহিনী

ইরাকের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহরে ইসলামিক স্টেটের (আইএস) দখলে থাকা শেষ এলাকা ঘিরে চালানো অভিযানে পশ্চিম মসুলসংলগ্ন কয়েকটি গ্রাম পুনরুদ্ধার করেছে ইরাকি বাহিনী।

রবিবার ভোরে বিমান হামলা ও কামানের গোলাবর্ষণের ছত্রছায়ায় পশ্চিম মসুলে আইএসের অবস্থানগুলোর দিকে এগিয়ে যায় বাহিনীটির শত শত সামরিক যান, জানিয়েছে বিবিসি।

অভিযান শুরু করার আগে থেকে পশ্চিম মসুলে বিমান হামলা শুরু করে আইএসবিরোধী যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক জোট বাহিনী। কয়েকদিন বিমান হামলা চালানোর পর স্থল অভিযান শুরু করে ইরাকি বাহিনী।

ইরাকি বাহিনীর ইমার্জেন্সি রেসপন্স ডিভিশন ও পুলিশের বিশেষ বাহিনীগুলো অভিযানে নেতৃত্ব দিচ্ছে। পশ্চিম মসুলের দক্ষিণে আইএসের দখলে থাকা গ্রামগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেওয়াই তাদের প্রাথমিক লক্ষ্য। ওই এলাকার উঁচু ভূমিগুলোর নিয়ন্ত্রণও নিতে চায় তারা, কারণ সেগুলো নিয়ন্ত্রণে এলে মসুল বিমানবন্দর ও শহরের দক্ষিণ প্রান্ত তাদের নজরদারির মধ্যে চলে আসবে।

কয়েক শ সাঁজোয়া যান ও হেলিকপ্টার গানশিপ নিয়ে ইরাকি বাহিনীর কয়েক হাজার সেনা প্রথম দিনেই পশ্চিম মসুলের দক্ষিণে অবস্থিত মসুল বিমানবন্দরে হামলা চালানোর মতো দূরত্বে পৌঁছে যায়।

ইরাকে আইএসের শেষ শক্ত ঘাঁটি ছিল মসুল। মাঝ বরাবার বয়ে যাওয়া তাইগ্রিস নদী শহরটিকে পূর্ব ও পশ্চিম অংশে বিভক্ত করে রেখেছে। সরকারি বাহিনীগুলো গত মাসে পূর্ব মসুল পুনরুদ্ধার করেছে।

কিন্তু নদীর ওপরের সবগুলো সেতু ধ্বংস করে দেওয়ায় পূর্ব মসুল থেকে সরাসরি পশ্চিমে অভিযান শুরু করা যায়নি।

সরকারি বাহিনীর অভিযানের মুখে টিকতে না পেরে আইএসের জঙ্গিরা পশ্চিম মসুলে গিয়ে অবস্থান নেয়। সেখানে আগে থেকেই জঙ্গিগোষ্ঠীটির শক্ত অবস্থান ছিল, পূর্ব পাশের জঙ্গিরা যোগ দেওয়ায় তাদের শক্তি আরও সংহত হয়েছে। তাই পশ্চিম মসুল মুক্ত করতে ইরাকি বাহিনীগুলোকে কঠিন পরীক্ষা দিতে হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন বাহিনীর কমান্ডার লে. জেনারেল স্টেফেন টাউনসেন্ড রবিবার এক বিবৃতিতে বলেছেন, 'মসুলের লড়াই বিশ্বের যেকোনো বাহিনীর জন্যই কঠিন হবে। '


মন্তব্য