kalerkantho


রাখাইনে সেনা অভিযান বন্ধের ঘোষণা মিয়ানমারের

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৭:২৭



রাখাইনে সেনা অভিযান বন্ধের ঘোষণা মিয়ানমারের

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনা অভিযান শেষ হয়েছে বলে দাবি করেছে সে দেশের সরকার৷ চার মাস ধরে চলা এ অভিযানকে জাতিসংঘ ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ' এবং ‘আদিবাসী উচ্ছেদ অভিযান' হিসেবে উল্লেখ করেছে৷
বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে গত বছরের ৯ অক্টোবর নিরাপত্তা ঘাঁটিতে একটি হামলায় ৯ জন পুলিশ নিহত হওয়ার পর ঐ রাজ্যে নিরাপত্তা অভিযান শুরু করে সেনাবাহিনী৷ ঐ অভিযানের পর থেকে বাংলাদেশে গত চার মাসে ৬৯ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে গেছে বলে ধারণা জাতিসংঘের৷ মিয়ানমারে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা থাউং টুন বুধবার এক বিবৃতিতে জানান, রাখাইন রাজ্যের উত্তরাঞ্চলের পরিস্থিতি এখন স্থিতিশীল৷ সেনা অভিযান বন্ধ করা হয়েছে, এছাড়া কারফিউও শিথিল করা হয়েছে৷ কেবল শান্তি ও নিরাপত্তার স্বার্থে সেখানে পুলিশ মোতায়েন আছে৷ 
বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে গত বছরের ৯ অক্টোবর নিরাপত্তা ঘাঁটিতে একটি হামলায় ৯ জন পুলিশ নিহত হওয়ার পর ঐ রাজ্যে নিরাপত্তা অভিযান শুরু করে সেনাবাহিনী৷ ঐ অভিযানের পর থেকে বাংলাদেশে গত চার মাসে ৬৯ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা পালিয়ে গেছে বলে ধারণা জাতিসংঘের৷ মিয়ানমারে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা থাউং টুন বুধবার এক বিবৃতিতে জানান, রাখাইন রাজ্যের উত্তরাঞ্চলের পরিস্থিতি এখন স্থিতিশীল৷ সেনা অভিযান বন্ধ করা হয়েছে, এছাড়া কারফিউও শিথিল করা হয়েছে৷ কেবল শান্তি ও নিরাপত্তার স্বার্থে সেখানে পুলিশ মোতায়েন আছে৷ 
শরণার্থীদের নিয়ে কাজ করছেন এমন গত সপ্তাহে দুই জাতিসংঘ কর্মী রয়টার্সকে জানান, সেনা অভিযানে এক হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা মুসলিমের মৃত্যু হয়েছে৷ অন্যদিকে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট অফিস থেকে বলা হয়েছে, ঐ অভিযানে একশ মানুষের মৃত্যু হয়েছে৷
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা মুসলিমের বাস৷ কিন্তু সেখানে তাদের সাথে অবৈধ অভিবাসীদের মতো আচরণ করা হয়৷ মিয়ানমার সরকার তাদের বাংলাদেশ থেকে আসা অভিবাসী বলে দাবি করে নাগরিকত্ব দিতে অস্বীকৃতি জানায়৷ প্রায়ই ঐ এলাকায় বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সঙ্গে রোহিঙ্গাদের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার ঘটনা ঘটে৷ ২০১২ সাল থেকে যা চরম রূপ নেয়৷ গত সপ্তাহে পোপ ফ্রান্সিসও বলেছেন, রোহিঙ্গাদের নির্যাতন ও হত্যা করা হচ্ছে, কারণ, তারা তাদের ধর্মবিশ্বাস এবং সংস্কৃতি নিয়ে বাঁচতে চায়৷

- ডিডাব্লিউ

। ।

মন্তব্য