kalerkantho


২২০০ নারীর জরায়ু কেটে বাদ দিয়ে বিক্ষোভের মুখে চিকিৎসকরা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০১:৫৭



২২০০ নারীর জরায়ু কেটে বাদ দিয়ে বিক্ষোভের মুখে চিকিৎসকরা

২০১৫ সালের আগস্টের ঘটনা৷ বিনা কারণে ২২০০ নারীর জরায়ু কেটে বাদ দিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল চারটি হাসপাতালের চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে৷ একদল দালাল এবং চিকিৎসকের লালসার শিকার হতে হয়েছিল লম্বানি এবং দলিত নারীদের৷ সেই ঘটনার তদন্তে নেমেছিল স্বাস্থ্য দপ্তর৷ রিপোর্ট দেখে ওই চক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে চারটি হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করে দেওয়া হয়েছিল৷ কিন্তু তাতেও হাসপাতাল বন্ধ হয়নি৷ ঘটনার দু’বছর পরও বহাল তবিয়তে চলেছে হাসপাতালগুলির কাজকর্ম৷ চিকিৎসকরাও দিব্যি রয়েছেন আগের মতোই৷ আর এতেই বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন চক্রান্তের শিকার ওই দলিত নারীরা৷

সোমবার এর প্রতিবাদে ক্ষতিগ্রস্ত নারী এবং একাধিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে কালাবুরাগি ডেপুটি কমিশনারের দপ্তরের সামনে প্রতিবাদে শামিল হন হাজার হাজার মানুষ৷ তাঁদের পাশে দাঁড়িয়ে অলটারনেটিভ ল ফোরামের সদস্য বিনয় শ্রীনিবাস বলেন, ‘কম সময়ে বিপুল অর্থ অর্জনের লোভে দলিত ও লম্বানি নারীদের টার্গেট করে হাসপাতালগুলি৷ মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে এরা। ’ এই নৃশংস ঘটনার তীব্র নিন্দা করে তিনি বলেন, কর্নাটকের মেডিক্যাল কাউন্সিল আইন অনুযায়ী দোষীদের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় অভিযোগ হওয়া উচিত৷ এই হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবিও তোলেন বিক্ষোভকারীরা।

সামান্য পেট ব্যথা বা সাদা স্রাবজনিত সমস্যায় নিয়ে কোনো নারী হাসপাতালে গেলেই চিকিৎসকরা তাঁদের বোঝাতেন, ক্যান্সারের মতো কঠিন রোগে ভুগছেন তাঁরা৷ এবং তারপরই অস্ত্রোপচার করে তাঁদের জরায়ু কেটে বাদ দিয়ে দেয়া হত৷ বেশির ভাগ নারীদেরই বয়স ৪০-এর মধ্যে হত৷ এবার দেখার কর্নাটক সরকার গোটা ঘটনায় কী পদক্ষেপ নেয়।

সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন


মন্তব্য