kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


মধুচক্রে ফাঁসার কথা অস্বীকার করলেন বরুণ গান্ধী

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২২ অক্টোবর, ২০১৬ ২৩:৫৮



মধুচক্রে ফাঁসার কথা অস্বীকার করলেন বরুণ গান্ধী

মধুচক্রে ফেঁসে গিয়ে তিনি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের গোপন তথ্য বিতর্কিত এক অস্ত্র ব্যবসায়ীর হাতে তুলে দিয়েছেন বলে অভিযোগ প্রমাণিত হলে রাজনৈতিক সন্ন্যাস নেবেন বলে শুক্রবার জানিয়েছিলেন বরুণ গান্ধী।   শনিবার আরও একধাপ এগিয়ে দেশবাসীর প্রতি সুলতানপুরের সাংসদের বার্তা, ‘‌আমার বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

আমার ভাবমূ্র্তি কলুষিত করতে যে বা যাঁরা জড়িত, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি আমি পদক্ষেপ করব। ’‌ মানেকা-পুত্র বলেন, ‘‌২০০৯ সাল থেকে আমি প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি এবং পরামর্শ কমিটির সদস্য।

সংসদীয় কমিটির কয়েকটি বৈঠক করেছি। কিন্তু অন্য কমিটির কোনও বৈঠকে যাইনি। তাই কমিটির কোনো তথ্য আমি হাতে পাইনি যে ফাঁস করব। তাছাড়া সেই সময় আমি বিরোধী দলের সাংসদ হিসেবে কমিটির সদস্য হয়েছিলাম। তাই আমার অত প্রভাবও ছিল না। ’‌ তাঁর সংযোজন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ওই চিঠি অস্বাভাবিক এবং মিথ্যার ওপরে দাঁড়িয়ে। যে সময় সীমান্তে অনুপ্রবেশ রুখে ও সীমান্ত পেরিয়ে গিয়ে জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করে গোটা বিশ্বের বাহবা কুড়োচ্ছে ভারতীয় সেনা, সেই সময় দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে জড়িয়ে এ ধরনের মন্তব্য করা সন্দেহজনক। মার্কিন আইনজীবী অ্যালেন এডমন্ডের চিঠি ঘিরে এই বিতর্ক। বিতর্কিত অস্ত্র ব্যবসায়ী অভিষেক বর্মার শরিক ছিলেন এক সময় অ্যালেন। অ্যালেনকে তিনি চেনেন না বলে জানান বরুণ। আর অভিষেক বর্মার সঙ্গে দেখা হয়েছিল সেই ছাত্রজীবনে, লন্ডনে। তার পর কয়েকটা সামাজিক অনুষ্ঠানে দু’জনের সাক্ষাৎ হলেও কোনো ব্যক্তিগত সম্পর্ক অভিষেকের সঙ্গে তাঁর নেই বলে বিবৃতিতে জানিয়েছেন বরুণ। কিন্তু সমস্যা হল, দলই এক্ষেত্রে বরুণের পাশে নেই। দল তাঁকে ঝেড়ে ফেলতে চাইছে, এটা খুব ভালই বুঝেছেন বরুণ। চিন্তিত রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে। ব্যক্তিগত সম্পর্ক যেমনই হোক জেঠিমা বা তুতো দাদা-‌দিদি যে এই বিপদকালে হাত বাড়িয়ে দেবেন, কংগ্রেসে ডেকে নেবেন, সেটা ভাবাও কঠিন। যদিও মাস কয়েক আগে খবর বেরিয়েছিল, তেমন কিছু কথাবার্তাও চলছে। আত্মরক্ষায় আপাতত একাই লড়তে হচ্ছে বরুণকে। সেই লড়াইয়েরই অংশ আইনি হুমকি।

সূত্র: আজকাল


মন্তব্য