kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন করেছে ইকুয়েডর : উইকিলিকস

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৮ অক্টোবর, ২০১৬ ১১:২০



ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন করেছে ইকুয়েডর : উইকিলিকস

বিশ্বের ক্ষমতাধর রাষ্ট্র ও করপোরেশনের গোপন নথি ফাঁস করে আলোড়ন তোলা বিকল্পধারার সংবাদমাধ্যম উইকিলিকস অভিযোগ করেছে, ইকুয়েডর কর্তৃপক্ষই জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জের ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে। তবে অ্যাসাঞ্জকে হত্যার গুজব ছড়ানোর পর ইকুয়েডর জানিয়েছে, তারা অ্যাসাঞ্জকে রক্ষা করে যাবে।

সোমবার উইকিলিকসের অফিসিয়াল টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে জানানো হয়, লন্ডনে ইকুয়েডর দূতাবাসে অ্যাসাঞ্জের ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। এক টুইট বার্তায় বলা হয়, সরকারের পক্ষ থেকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অ্যাসাঞ্জের ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। আমারা বিকল্প পরিকল্পনা শুরু করেছি।

ওই টুইট বার্তার পরপরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অ্যাসাঞ্জের বিষয়ে বিভিন্ন গুজব ছড়াতে থাকে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের গোপন তথ্য ফাঁস আটকাতে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলেও দাবি করা হতে থাকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। হিলারির নির্বাচনী প্রচারণা শিবিরের চেয়ারম্যান জন পোডেস্তার ই-মেইল ফাঁসের পরপরই এই কথা জানায় উইকিলিকস। এদিকে, ওই গুজবের জবাব দিয়েছে ইকুয়েডর কর্তৃপক্ষ। ইকুয়েডরে অবস্থিত মন্ত্রণালয়ের থেকে একটি সূত্র ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (পিএ) এর কাছে দাবি করেছে, ২০১২ সালে রাজনৈতিক আশ্রয় নেওয়া জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জকে রক্ষা করে যাবে ইকুয়েডর। ওই সূত্র আরও দাবি করেছে, তারা টুইটারে ছড়ানো গুজবের কোনো প্রতিক্রিয়া জানায় না।

ওই বক্তব্যের পর অপর এক টুইট বার্তায় উইকিলিকস স্পষ্টভাবেই ওই ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার জন্য ইকুয়েডর কর্তৃপক্ষকে দায়ী করেছে। উইকিলিকস এর দাবি, আমরা নিশ্চিত করছি, শনিবার গ্রিনিচ মান সময় ৫টায় গোল্ডম্যান শ্যাস এ দেওয়া ক্লিনটনের ভাষণ প্রকাশের কিছুক্ষণ পরই ইকুয়েডর অ্যাসাঞ্জের ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে বিকল্পধারার সংবাদমাধ্যম উইকিলিকস প্রতিষ্ঠা করেন জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ। যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের ক্ষমতাশালীদের বিভিন্ন অপকর্মের গোপন দলিল প্রকাশ করে আসছে উইকিলিকস।

একপর্যায়ে অ্যাসাঞ্জের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দেওয়া হয়। ২০১০ সালে সেই মামলায় তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। ২০১২ সালের ১৯ জুন গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি ইকুয়েডর দূতাবাসে আশ্রয় নেন। তারপর থেকে তিনি সেখানেই অবস্থান করছেন। দূতাবাসে একটি ঘরকে শয়নকক্ষ ও অফিস হিসেবে ভাগ করে ব্যবহার করেন তিনি।  

 


মন্তব্য