kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ভারতে চীনা দ্রব্য নিষিদ্ধ হোক: রামদেব

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৮ অক্টোবর, ২০১৬ ০০:৪১



ভারতে চীনা দ্রব্য নিষিদ্ধ হোক: রামদেব

কূটনৈতিকভাবে চীন যেভাবে বারবার পাকিস্তানের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে, তাতে ক্ষুব্ধ ভারতবাসী৷ প্রশাসনিক তরফে সরাসরি চীনের উদ্দেশ্যে কিছু বলা না হলেও, চীনা দ্রব্য বয়কটের ডাক উঠেছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়৷ এবার সেই সুর শোনা গেল যোগগুরু রামদেবের কথাতেও৷ চীনা দ্রব্য বয়কটেরই ডাক দিলেন তিনি।

চীনের বাধাতেই এলিট পরমাণু ক্লাব এনএসজি-তে প্রবেশ করতে পারেনি ভারত৷ সেবারও পাকিস্তানের তোলা অভিযোগে সায় দিয়েই ভারতের আশা কার্যত শেষ করেছিল চীন৷ এছাড়াও সন্ত্রাস প্রশ্নে বারবার পাকিস্তানের পাশে এসেই দাঁড়িয়েছে চীন৷ উরি পরবর্তী সময়ে জৈশ নেতা মাসুদ আজহারকে জঙ্গি ঘোষণার ক্ষেত্রেও বাধা দিয়েছে চীন৷ ব্রিকস সম্মেলনে নাম না করে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে যখন পাকিস্তানকে সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর হিসেবে তুলে ধরেছেন, তখনও পাকিস্তানের পিঠ বাঁচাতে আসরে নেমেছে চীন৷ চীন নিজের নিরপেক্ষ অবস্থান আন্তর্জাতিক মহলের সামনে স্পষ্ট করতে চাইলেও, আদতে পাকিস্তানের প্রতি সে দেশের পক্ষপাতিত্ব কোনোভাবেই গোপন থাকছে না৷

প্রশাসনিকভাবে কোনো বিবৃতি না দিলেও, চীনকে সমুচিত শিক্ষা দেয়ার রাস্তা যে চীনের সঙ্গে ব্যবসা বন্ধ করা সে বিষয়ে একমত সারা দেশবাসী৷ কিন্তু সরকারিভাবে সে সিদ্ধান্ত নেয়া এখনই সম্ভব নয়৷ কেননা চীনের সঙ্গে এই মুহূর্তে প্রায় ৪.৫ লাখ কোটি টাকার ব্যবসা হয় ভারতে৷ কিন্তু চীনা দ্রব্য বয়কট করে ভারতে চীনের বাজারকে সংকুচিত করার ভাবনা নিয়েছিল দেশবাসী৷ সেইমতো দীপাবলির শুরুতে চীনা বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বয়কট করার জন্য লাগাতার প্রচার চলেছিল৷ সে প্রচারে অন্তত ২০ শতাংশ বিক্রি কমেছে৷ চীনা নকল ডিম রুখতেও নানা প্রচার চলে সোশ্যাল মিডিয়ায়৷

নাগরিকদের সঙ্গে সহমত পোষণ করলেন যোগগুরু তথা ‘পতঞ্জলি’ সংস্থার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর বাবা রামদেব৷ দ্বিধাহীনভাবেই তিনি জানালেন, চীনা দ্রব্য বয়কট করেই চীনকে শিক্ষা দিতে হবে৷  আর তাই এ দেশে চীনা দ্রব্য নিষিদ্ধ করার দাবি জানালেন তিনি।

সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন


মন্তব্য