kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ব্রিটেনে ঢুকে পড়েছে ৪০০ আইএস জঙ্গি, বড় হামলার শঙ্কা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৯ অক্টোবর, ২০১৬ ১৮:২৫



ব্রিটেনে ঢুকে পড়েছে ৪০০ আইএস জঙ্গি, বড় হামলার শঙ্কা

ব্রিটেনের রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছে অন্তত ৪০০ আইএস জিহাদি। সিরিয়ার যুদ্ধক্ষেত্রে ইসলামিক স্টেটের হয়ে লড়ার পরে অবাধে সীমান্ত পেরিয়ে তারা ঢুকে পড়েছে।

এদের মধ্যে ধরা পড়েছে মাত্র ১৪ জন।

কিছু দিন আগে পার্লামেন্টে ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে অংশ নেওয়ার পরে অন্তত ৮৫০ জন ব্রিটিশ জঙ্গি অবৈধ ভাবে দেশে ফিরেছে। তাদের মধ্যে ৫৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।  

কিন্তু সাম্প্রতিক রিপোর্টে ফাঁস হয়, পরিসংখ্যানে ভুল ছিল। এই মুহূর্তে ব্রিটেনে ঢুকে পড়া প্রাক্তন আইএস যোদ্ধার সংখ্যা ৪০০-র আশেপাশে, যাদের মধ্যে ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ব্রিটিশ গোয়েন্দা বিভাগের আশঙ্কা, যে কোনও সময় এরা বড়সড় হিংসাত্মক ঘটনা ঘটাতে পারে।

আইএসের ডাকে ব্রিটেন ছেড়েছে কয়েক হাজার তরুণ। সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে গিয়ে অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্রের রীতিমতো প্রশিক্ষণ পেয়েছে তারা। সন্ত্রাস ছড়ানোর নানান কৌশল তাদের হাতের মুঠোয়। বিপজ্জনক এই দেশান্তরীরা এবার ফের ঘরমুখো হয়েছে। এরাই আপাতত ব্রিটিশ সরকারের মাথা ব্যথার অন্যতম কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। দেশে ফিরে ব্রাসেলস বা প্যারিস হামলার মতো নাশকতার ছক সাজাতে এরা যথেষ্ট পটু বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দারা। স্বাভাবিক ভাবেই দেশের নিরাপত্তা সঙ্কটে।

মুশকিল হচ্ছে, প্রাক্তন জঙ্গিদের সংখ্যা কত, তাই নিয়ে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে চাপানউতোরে রাজনৈতিক রং মিশছে।  

গত শুক্রবার সন্ধ্যায় বিরোধীরা ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র সচিব অ্যাম্বার রুডকে আর্জি জানান, সীমান্তরক্ষী বাহিনীর পিছনে খরচ বাড়ানো হোক। সেই সঙ্গে ব্রিটিশ পুলিশ এবং এম১৫ বাহিনীর বাজেট বাড়ানো হোক। সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে এবং ব্রিটিশ ভূখণ্ডে অবাধে ঘুরে বেড়ানো সিরিয়া ফেরত জঙ্গিদের শনাক্ত করে গারদে পুরতে সরকার যাতে অর্থনৈতিক কোনও আপস না করে- এমনই আবেদন জানিয়েছেন বিরোধীরা।

প্রাক্তন ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রী লর্ড ওয়েস্ট অফ স্পিটহেডও জানিয়েছেন, 'আমরা জানি, জঙ্গি সংগঠনের ডাকে যারা সন্ত্রাসের মন্ত্রে দীক্ষিত হয়েছে, তারা অত্যন্ত বিপজ্জনক। '

প্রাক্তন আইএস জঙ্গিদের নিয়ে হিমশিম ব্রিটিশ প্রশাসন নিরাপত্তা জোরদার করতে কী পদক্ষেপ করে, সেদিকেই নজর রাখছে সারা বিশ্ব।
সূত্র-এই সময়


মন্তব্য