kalerkantho


নোকিয়া ফোন গুলি আটকে দিয়ে প্রাণ বাঁচাল মোবাইল মালিকের

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৮ অক্টোবর, ২০১৬ ২৩:৪৮



নোকিয়া ফোন গুলি আটকে দিয়ে প্রাণ বাঁচাল মোবাইল মালিকের

বন্দুকের গুলি আটকে এর আগেও মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছে মোবাইল। ২০১৪ সালে বুক পকেটে রাখা লুমিয়া ৫২০-র দৌলতে প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলেন ব্রাজিলের এক পুলিশ অফিসার।

অমিতাভ বচ্চনের ‘দিওয়ার’ ছবির সেই দৃশ্যটি মনে আছে, যেখানে অমিতাভ ওরফে বিজয়ের বুক পকেটে রক্ষিত ‘বিল্লা নম্বর ৭৮৬’ আটকে দিয়েছিল বিজয়ের দিকে ধেয়ে আসা বন্দুকের একটি গুলি? সেযাত্রা ওই বিল্লার সৌজন্যেই প্রাণে বেঁচে গিয়েছিল বিজয়। এবার সেরকম ঘটনাই ঘটল বাস্তবে। একটি নোকিয়া ফোন বন্দুকের ছোড়া গুলি আটকে দিয়ে প্রাণ বাঁচাল এক ব্যক্তির।

বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছে মাইক্রোসফটের জেনারেল ম্যানেজার পিটার স্কিলম্যানের একটি টুইট মারফৎ। তিনি টুইটে লিখেছেন, ‘যে ফোনটা নিয়ে আমি কাজ করেছিলাম বছর কয়েক আগে, সেই ফোনটাই গত সপ্তাহে এক ভদ্রলোকের প্রাণ বাঁচিয়েছে আফগানিস্তানে। ’ সঙ্গে পোস্ট করেছেন নোকিয়ার একটি ভাঙাচোরা সেটের ছবি। এবং সেই ফোনের বুকে আটকে রয়েছে একটি বন্দুকের গুলি।

পিটার উল্লেখ না করলেও ছবিটি দেখে বোঝাই যাচ্ছে, সেটটি  নোকিয়া ৩০১, যা ২০১৩ সালে নোকিয়া বাজারে ছাড়ে। সেই সময়ে নোকিয়ায় ডিজাইন এগজিটিউভ হিসেবে কাজ করেছিলেন পিটার।

নোকিয়া ৩০১ সেটটি গড়ে তোলার পেছনে আরও অনেকের সঙ্গে অবদান ছিল পিটারেরও। পিটারদের লক্ষ্যই ছিল অত্যন্ত শক্তপোক্ত একটি মোবাইল সেট তৈরি করা। তাঁদের সেই প্রচেষ্টাই বাস্তবায়িত হয় নোকিয়া ৩০১-এর মাধ্যমে। সেই সময়ে নোকিয়ার পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, এই ফোন নাকি ‘বুলেট প্রুফ’। ফোনটি যে কার্যত তা-ই, এই ঘটনা সেটাই প্রমাণ করছে বলে দাবি করেন পিটার। বর্তমানে পিটার মাইক্রোসফ্টের জেনারেল ম্যানেজার। ২০১৪ সালে মাইক্রোসফ্‌ট যখন নোকিয়া কিনে নেয়, তখন পিটারও মাইক্রোসফ্‌টের কর্মীতে রূপান্তরিত হন।

যদিও ফোনটি কীভাবে কার প্রাণ বাঁচিয়েছে, তা নিজের টুইটে জানাননি পিটার। তবে বন্দুকের গুলি আটকে এর আগেও মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছে মোবাইল। ২০১৪ সালে বুক পকেটে রাখা লুমিয়া ৫২০-র দৌলতে প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলেন ব্রাজিলের এক পুলিশ অফিসার। আর ২০১৩-তে এইচটিসি ইভো থ্রি ডি বন্দুকের গু‌লি রুখে দিয়ে প্রাণ বাঁচিয়েছিল ফ্লোরিডার এক স্টেশন ক্লার্কের। এবারেও আফগানিস্তানে সেই রকমই কোনো ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে।  

সূত্র: এবেলা


মন্তব্য