kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


নারীদের নিয়ে বেফাঁস মন্তব্যের জন্য ট্রাম্পের ক্ষমা প্রার্থনা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৮ অক্টোবর, ২০১৬ ১৭:৫৪



নারীদের নিয়ে বেফাঁস মন্তব্যের জন্য ট্রাম্পের ক্ষমা প্রার্থনা

যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প নারীদের নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্যের জন্য শনিবার ক্ষমা চেয়েছেন। ২০০৫ সালে টেপ করা এক ভিডিওতে দেখা যায়, সুন্দরী নারীদের দেখলে পুরুষদের মনের আকাক্সক্ষা ও তাদেরকে চুমু খাওয়া নিয়ে তিনি বেফাঁস মন্তব্য করছেন।

এ ভিডিও টেপ প্রকাশের ঘটনা তার নির্বাচনী প্রচারণার ক্ষেত্রে একটি বড় ধরণের ধাক্কা বলে মনে করা হচ্ছে।  
ট্রাম্প বলেন, ‘আমি যা বলেছি ও করেছি তার জন্য দুঃখিত। যারা আমাকে চেনে, তারা জানে এসব কথা আমার ওপর কোন প্রভাব ফেলেনি। আমি ভুল বলেছিলাম, আমি ক্ষমা চাচ্ছি। ’
তিনি বলেন, ‘আমি কখনো বলিনি, আমি নিখুঁত মানুষ। আমি আগামীতে আরো ভাল মানুষ হওয়ার অঙ্গীকার করছি। ’ তবে তিনি ডেমোক্রেটিক দলের প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের স্বামীর সমালোচনা করতে ছাড়েননি। তিনি দাবি করেন, বিল ক্লিনটন নারীদের ‘অপব্যবহার’ করেছেন।
২০০৫ সালের এক ভিডিও টেপে দেখা গেছে তিনি সগর্বে এক বিবাহিত নারীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টার বর্ণনা দিচ্ছেন। সুন্দরী নারী দেখলেই তিনি চুমু খাওয়ার চেষ্টা করেন বলেও জানিয়েছেন। গতকাল শুক্রবার ওয়াশিংটন পোস্টে প্রচার করা হয়েছে ওই ভিডিও।  
এএফপি জানায়, ‘অ্যাকসেস হলিউড’ নামের এক অনুষ্ঠানের জন্য এনবিসি টিভির উপস্থাপক বিলি বুশের সঙ্গে এক ভিডিওতে ট্রাম্পকে কথা বলতে দেখা গেছে।  
ওই ভিডিওতে বিলি বুশের উদ্দেশে ট্রাম্পকে বলতে শোনা গেছে, ‘তারকা হলে তুমি নারীর সঙ্গে যা ইচ্ছা তা-ই করতে পারো। ’ সেখানে কোনো একজন বিবাহিত নারীর বিষয়ে ট্রাম্পকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি তার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছি। সে বিবাহিত ছিল। ’ এরপর ট্রাম্প ওই নারীর সঙ্গে কীভাবে যৌন সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করেছিলেন, এ নিয়ে আরও কিছু আপত্তিকর বর্ণনা দেন। তিনি বলেন, সুন্দরী নারী দেখলেই তিনি আকৃষ্ট হন। অপেক্ষা না করে তাঁদের চুম্বনের চেষ্টা করেন।
ট্রাম্পকে বলতে শোনা যায়, তারকা পুরুষদের এমন আচরণ নারীরা মেনে নেন। তারকা হলে নারীদের সঙ্গে যা ইচ্ছা তা-ই করা যায়। টিভি উপস্থাপক বিলি বুশকে ট্রাম্প বলেন, ‘নারীদের ...খপ করে ধরো। তারপর যা ইচ্ছা করো। ’
এমন মন্তব্যের জন্য খোদ রিপাবলিকান পার্টিতেই কঠোর সমালোচনার মুখে পড়েন ট্রাম্প। পার্টির জ্যেষ্ঠ নেতারা তাকে নিয়ে বিব্রত ও লজ্জিত।


মন্তব্য