kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বৃদ্ধকে বিয়ের তিনমাস পর তরুণী জানলেন তিনি নিজের দাদা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩ অক্টোবর, ২০১৬ ২২:০৭



বৃদ্ধকে বিয়ের তিনমাস পর তরুণী জানলেন তিনি নিজের দাদা

বিয়ের তিন মাসের মাথায় আক্কেল গুড়ুম! স্বামী যে সম্পর্কে নিজের দাদা হন, তা জানার পরে প্রথমে রীতিমতো দিশাহারা হযে পড়েন বছর চব্বিশের তরুণী।

মাত্র তিন মাস হলো বছর আটষট্টির প্রৌঢ়ের ঘরণী হয়েছেন আমেরিকার ওই তরুণী।

বয়সের ব্যবধান তাঁদের ঘনিষ্ঠতায় বাধা তৈরি না করলেও স্বামীর পারিবারিক অ্যালবামের পাতা ওল্টাতে গিয়ে মোক্ষম ধাক্কা খেয়েছেন তিনি। ফ্লোরিডার মায়ামি গোল্ডেন বিচের বাড়িতে রাখা সেই অ্যালবামে স্বামীর প্রথম স্ত্রীর গর্ভজাত সন্তানদের ছবি দেখে তিনি চমকে ওঠেন। বুঝতে পারেন, সেই শিশুদের একজন ছিলেন তাঁরই বাবা। অর্থাত্‍ যাঁকে বিয়ে করেছেন, তিনি সম্পর্কে তাঁর নিজের দাদা। সম্প্রতি ফ্লোরিডা সানপোস্ট পত্রিকায় এই খবর প্রকাশিত হয়েছে।

এই বিষয়ে প্রৌঢ়ের বক্তব্য, শিশু সন্তানদের নিয়ে তাঁকে ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন প্রথম স্ত্রী। গোয়েন্দা লাগিয়েও তাঁদের খোঁজ না পেয়ে হাল ছেড়ে দেন। এর কয়েক বছর পরে দ্বিতীয় বার বিয়ে করেন ভদ্রলোক। সেই স্ত্রীর দ্বারাও একাধিক সন্তানের বাবা হন। তবে সেই বিয়েও শেষ অবধি টেকেনি। দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের জেরে মোটা খোরপোশ গুণে প্রায় দেউলিয়া হয়ে যান।

কপালজোরে ঠিক সেই সময়েই লটারির জ্যাকপট জিতে বেশ কয়েক কোটি ডলার আয় হয় প্রৌঢ়ের। ২০১৫ সালে ঠিক করেন ফের বিয়ে করবেন। স্থানীয় এক ডেটিং ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এই তরুণীর সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। রেস্তোরাঁয় প্রথম দিন দেখা হওয়ার পরে প্রেমে পড়েন দুজনেই। ঘনিষ্ঠ প্রেমালাপে বিশেষ ঠাঁই পায়নি পরস্পরের পরিবার সম্পর্কে তথ্য। এটুকু জানা যায়, অতীত সম্পর্কের জেরে গর্ভবতী হয়ে পড়লে তরুণীকে বাড়ি থেকে বের করে দেন তাঁর বাবা।

সে সব নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে তৃতীয় স্ত্রী হিসেবে মাস তিনেক আগে তরুণীকেই বিয়ে করেন প্রৌঢ়। তৃতীয় স্ত্রী যে আসলে তাঁরই নাতনি, এই কথা জানার পরে কী মনে করছেন প্রৌঢ় কোটিপতি? তিনি জানিয়েছেন, 'ওকে প্রথম দেখে কেমন আত্মীয়তা বোধ জেগেছিল। তখন বুঝিনি আসল কারণ। এর আগে দু'বার আমার বিয়ে ভেঙেছে। তৃতীয় বার তার পুনরাবৃত্তি করতে চাই না। '

আর তরুণী জানিয়েছেন, 'ওর অ্যালবামে বাবার ছোটবেলার ছবি দেখে প্রথমে হতাশ হয়ে পড়েছিলাম। তবে এখন বুঝতে পেরেছি, আমাদের ভালোবাসার ভিত এতই মজবুত যে সহজে তাতে চিড় ধরবে না। ' আপাতত সুখেই ঘর করছে দম্পতি। এই সময়


মন্তব্য