kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


পাকিস্তানে এক দল মুর্খ বসে আছে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩ অক্টোবর, ২০১৬ ১৮:৪৮



পাকিস্তানে এক দল মুর্খ বসে আছে

বার বার পরমাণু যুদ্ধের হুমকি দেওয়া পাকিস্তানের শীর্ষ নেতৃত্বকে সতর্ক করলেন সে দেশের রাজনৈতিক বিশ্লেষক এবং প্রবীণ সাংবাদিক হাসান নিসার। একটি নিউজ চ্যানেলে বসে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যালোচনা করার সময় তিনি বলেন, ‘যদি ভারতের সঙ্গে পরমাণু যুদ্ধে যায় পাকিস্তান তবে তা আত্মহত্যার সামিল হবে।

দিন কতক আগে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খোয়াজা মহম্মদ আসিফ ভারতে পরমাণু যুদ্ধের হুমকি দেন। তাঁর দেখাদেখি সৈয়দ সালাহউদ্দিন এবং হাফিজ সাইদের মতো জঙ্গিরাও একই সুরে ভারতে পরমাণু বোমা ফেলার হুমকি দেন। ভারতের নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল এর জবাবে বলেন, ‘পরমাণু যুদ্ধ হলে ভারতের ক্ষতি তো হবেই। তাতেও যত লোক বেঁচে থাকবেন তাঁরা দেশ চালিয়ে নেবেন। কিন্তু পাকিস্তানের কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না। ’

দোভালের বক্তব্যকে সমর্থন করে হাসান নিসার বলেন, পাকিস্তানে এক দল মুর্খ বসে আছে যারা জানে না পরমাণু বোমা মানে কী। হিরোশিমা-নাগাসাকিতে যা ফেলা হয়েছিল তা তো পরীক্ষামূলক ছোটখাটো বোমা ছিল। তার ভয়াবহতা আজও দুঃস্বপ্নের মতো। এখন যুদ্ধ হলে তো কী হবে তা ঈশ্বরই জানেন। ফলে পরমাণু যুদ্ধের কথা না বলাই ভালো। যদি হয় তবে পাকিস্তান সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাবে। ’

তিনি আরও বলেন, ভারতের জনসংখ্যা ১২০ কোটি। আর পাকিস্তানের মাত্র ১৮ কোটি। পাকিস্তান যদি ভারতের চারগুণ পরমাণু হামলা চালাতে সক্ষম হয়ে যায় তাতেও ভারতে ৪০ কোটি মানুষ বেঁচে থাকবেন। কিন্তু পাকিস্তানে কে থাকবে? পাকিস্তান পরমাণু বোমা বানিয়ে তো ফেলেছে কিন্তু তা দিয়ে আদপে হচ্ছেটা কী! দেশের বাচ্চাদের হাতে বই দিতে পারেনি, রোগীর চিকিত্সাপ করতে পারেনি, খুধার্তের মুখে খাবার জোগাতে পারেনি। এত বিপুল পরিমাণ খরচ করে শুধু বোমা বানিয়ে রেখেছে। কারণ ভারতকে বার বার উত্যক্ত করে নিজের শত্রু বানিয়ে ফেলেছে পাকিস্তান। এমন এক শত্রু যে পাকিস্তানের চেয়ে সব দিক থেকে বহুল পরিমাণে শক্তিশালী। তাই নিজেকে বাঁচানোর জন্য পরমাণু বোমা বানানো।

পরমাণু যুদ্ধের বর্ণনা দিতে গিয়ে নিসার বলেন, এ দেশে যে সব মুর্খ অশিক্ষিতের দল ঘুরে বেড়াচ্ছে তারা জানেই না পরমাণু বোমা কী করতে পারে। আমি সেই পাইলটের বক্তব্য পড়েছি যেখানে তিনি বলছেন, আলো থেকে বাঁচার জন্য তাদের বিশেষ চশমা দেওয়া হয়েছিল। বোমা পেলার পরই প্লেন এক ঝটকায় অনেকটা উপরে উঠে গিয়েছিল। লিটল বয় বোমাটি এতটাই ভারী ছিল। তিনি দ্রুত প্লেন ঘুরিয়ে ফিরছিলেন। এর মধ্যে বিস্ফোরণ ঘটে। আলো এত তীব্র ছিল যে তাঁরা প্রায় অন্ধ হতে বসেছিলেন। পাকিস্তানের এই মুর্খরা জানেই না এরা কী বলছে। আসলে এরা এতটাই অশিক্ষিত যে নিজেদের ধ্বংসের খবর শুনে আনন্দে লাফাচ্ছে।


মন্তব্য