kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


নাইন ইলেভেন মামলার বিল পাশে সৌদি আরবের উদ্বেগ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২০:২৬



নাইন ইলেভেন মামলার বিল পাশে সৌদি আরবের উদ্বেগ

২০০১ সালের নাইন ইলেভেন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো সৌদি আরবের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারবে বলে মার্কিন কংগ্রেসে বিল পাশ হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সৌদি আরব। যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসকে তাদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে দেখারও আহ্বান জানিয়েছে সেদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ারে হামলার ঘটনায় তিন হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়।

বিলটি আইনে পরিণত হলে নিহতদের স্বজনেরা ক্ষতিপূরণ চেয়ে সৌদি সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবেন। বিলটির বিরুদ্ধে ভেটো দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। তবে তাঁর ভেটো সত্ত্বেও মার্কিন কংগ্রেসে বিলটি পাস হয়।

২০০১ সালের ওই ঘটনায় জড়িত ১৯ জনের মধ্যে ১৫ জনই ছিল সৌদি নাগরিক। অবশ্য এ হামলায় নিজেদের জড়িত থাকার কথা দেশটি বরাবরই নাকচ করে এসেছে। সৌদি আরবের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, বিলটি বাস্তবায়িত হলে যুক্তরাষ্ট্রসহ যেকোনো দেশের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

রিপাবলিকান দলের নেতারা বলেছেন, আইনটিকে তাঁরা পুনর্বিবেচনা করতে চান। সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা মিচ ম্যাককোনেল বলেন, "এ আইনের সম্ভাব্য ফল ও পরিণতি কী হতে পারে- তা এখনো আইন প্রণয়নকারীরা নিজেরাও বুঝতে পারছেন না। " বিলটির পক্ষে ভোট না দেওয়ার জন্য কংগ্রেস সদস্যদের রাজি করানোর চেষ্টা করেছিলেন মার্কিন  প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।

এদিকে, প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা, মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ-কে বরাবরই হুঁশিয়ার করা হয় যে, এ আইনটি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি সৃষ্টি করবে। কারণ এর ফলে রীতি অনুযায়ী অন্য দেশের সরকারি  কর্মকর্তাদের বিচারের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রে যে দায়মুক্তি দেওয়া হয়- সেটি আর থাকবে না।
ফলে অন্য দেশে কর্মরত মার্কিন বাহিনী বা কর্মকর্তাদেরও একইভাবে বিচারের আওতায় আনার ঝুঁকি তৈরি হবে।

অন্যদিকে, গত মাসে যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে সৌদি বাদশাহর পাঠানো এক বার্তায় বলা হয়, বিলটি পাস হলে সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রে ৭৫ হাজার কোটি ডলারের বন্ড এবং অন্যান্য বিনিয়োগ তুলে নেবে। তবে বিলটি পাস হওয়ায় খুশি নাইন ইলেভেনে নিহতদের আত্মীয়স্বজনরা।


মন্তব্য