kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


রাজশাহীতে ট্রেনের ধাক্কায় সাবেক সরকারি কর্মকর্তা নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী    

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১২:৩৩



রাজশাহীতে ট্রেনের ধাক্কায় সাবেক সরকারি কর্মকর্তা নিহত

ভিসা করতে রাজশাহীতে এসে রেললাইন পার হওয়ার সময় ট্রেনের ধাক্কায় এরশাদ আলী রবু (৬০) নামে একজন সাবেক সরকারি কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর বর্ণালীর মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এরশাদ আলী খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি গোদাগাড়ীর লোলিত নগর এলাকার মাছরাঙ্গা গ্রামের মৃত আমির আলীর ছেলে।

তবে ভিসা না পেয়ে রবু আত্মহত্যা করতে পারেন বলেও ধারণা করছেন অনেকে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা কমিউটার ট্রেনটি রাজশাহী স্টেশনে আসছিল। এ সময় নগরীর বর্ণালীর মোড় এলাকায় রেলক্রসিং এলাকায় দাঁড়িয়ে ছিলেন রবু। ট্রেনটি বর্ণালী মোড় রেলক্রসিংয়ের কাছাকাছি আসামাত্র রেললাইন পার হওয়ার চেষ্টা করছিলেন রবু। তবে ট্রেনটি এসে তাকে ধাক্কা দিয়ে কিছুটা দূরে নিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি।

প্রত্যক্ষদর্শী সাইদুল ইসলামসহ আরো বেশ কয়েকজন জানান, ট্রেন আসতে দেখে গেটম্যান রেলক্রসিং নামিয়ে দেন। এ সময় রাস্তার দুই পাশে যানবাহনসহ লোকজন দাঁড়িয়ে ট্রেন চলে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছিল। কিন্তু ট্রেনটি আসামাত্র লোকটি রেললাইনের ওপর যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় ট্রেনটি এসে তাকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। প্রত্যক্ষদর্শীরা আরো জানান, যখন সবাই রেললাইনের দুই পাশে দাঁড়িয়ে ট্রেন চলে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছিল, তখন কেন তিনি রেললাইনের ওপর চলে যাবেন? তিনি ট্রেন দেখেও হঠাৎ করে রেললাইনের ওপর ঝাঁপ দেন। আর তাতেই তাঁর মৃত্যু হয়। ফলে ধারণা করা হচ্ছে ভারতীয় ভিসা না পেয়ে তিনি আত্মহত্যাও করতে পারেন।

রবুর ভাগ্নে হাসানুর রহমান জানান, সকাল থেকেই রবু তাঁর ভারতীয় ভিসার জন্য রাজশাহীতে এসে নানাভাবে চেষ্টা করছিলেন। তিনি ভারতীয় স্টেট ব্যাংকের সামনে অনেকক্ষণ ধরে অপেক্ষাও করেন। একপর্যায়ে তিনি জনতা ব্যাংক বর্ণালী শাখায় কর্মরত তার ভাগ্নে হাসানুর রহমানের সঙ্গে গিয়ে দেখা করেও আসেন। এর কিছুক্ষণ পরই রবু ট্রেনে কাটা পড়ে মারা গেছেন বলে খবর পান হাসানুর রহমান। তবে ভিসা না পেয়ে আত্মহত্যা করার মতো তেমন কোনো লক্ষণ মামার মাঝে ছিল না বলেও দাবি করেন হাসানুর রহমান।


মন্তব্য