kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


পোষ্য কুকুর পেল ৮টি আইফোন!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০২:৩৫



পোষ্য কুকুর পেল ৮টি আইফোন!

বাবা-মায়েদের অর্থ, ক্ষমতার জোরে দম্ভে মাটিতে পা পড়ে না বিলাসবহুল জীবনযাপনে অভ্যস্ত চীনের রাজনৈতিক প্রতিপত্তিশালীদের ছেলেমেয়েদের, এমনই শোনা যায় নানা রিপোর্টে। সাধারণের কাছে যা অস্বাভাবিক, সেটা তারা করে ফেলতে পারেন অনায়াসে।

তারই প্রমাণ ওয়াং সিকং।  কেউকেটা সিকং-এর বাবা ওয়াং জিয়ানলিন চীনের সবচেয়ে ধনী বিলিওনেয়ার। ডালিয়ান ওয়ান্ডা গ্রুপের চেয়ারম্যান। মাত্র ২৮ বছর বয়সী ওয়াং  নিজের পোষ্য কুকুরকে একটিমাত্র নয়, ৯৫৮৪ মার্কিন ডলার দাম দিয়ে আটখানা আইফোন ৭ কিনে দিয়েছেন! যেদিন দুনিয়াজুড়ে তুমুল কৌতূহল, উদ্দীপনার মধ্যে এই মহার্ঘ্য ফোনটি বাজারে এসেছে, ঠিক সেদিনই সেগুলি কিনে ফেলেন বড়লোক বাবার একমাত্র ছেলে সিকং।
গত সপ্তাহে প্রিয় পোষ্য কোকোর দুটি ছবি তারই ওয়েইবো সোস্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে পোস্ট করেছেন সিকং। তাতে দেখা যাচ্ছে, আইফোনগুলি বাক্স খুলে বের করা হয়নি। গদির ওপর বসে আলাস্কার মালামুট প্রজাতির কুকুরটি। তার চারপাশে পড়ে আছে বাক্সগুলি।
মালিকের মতোই নামডাক আছে কোকো-র। সোস্যাল মিডিয়ায় তার ওয়েইবো অ্যাকাউন্টটির ফলোয়ার প্রায় ২০ লক্ষ। চিনের সবচেয়ে ধনী কুকুর ৮ বছরের এই কোকো কালো, গোলাপী  রঙের আইফোন ৭ হ্যান্ডসেটগুলি নিয়ে ছবির জন্য পোজ দিয়েছে বলে জানিয়েছে ‘সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট’।
অ্যাকাউন্টে সিকং ক্যাপশনে লিখেছেন, সোস্যাল মিডিয়ায় লোকে নিজেদের কী কী জিনিস দেখায়, জানি না। দেখানোর কিছুই নেই। না কিনে উপায় ছিল না। পোস্টটি কয়েক হাজার শেয়ার, কমেন্টস পেয়েছে।
চীনে একটি আইফোন ৬ এর দাম ১০৪৭ মার্কিন ডলার, তার চেয়ে বড় আইফোন ৭ প্লাসের দাম ১১৯৭ মার্কিন ডলার।
নামী আন্তর্জাতিক ম্যাগাজিন ফর্বস-এর হিসাবে সিকং-এর বাবার মোট সম্পত্তির পরিমান ৩৩.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বিশ্বের ধনীতম মানুষের তালিকায় তিনি আছেন ২০ নম্বরে।
গত বছর সিকং-ই নিজের কুকুরকে ৩৭ হাজার মার্কিন ডলার মূল্যের দুখানি অ্যাপল ঘড়ি পরিয়ে সেই ছবি পোস্ট করেছিলেন। যার তুমুল নিন্দা-সমালোচনা হয়েছিল চিনে। এমনকী বিয়ের বাজারে দেশের সবচেয়ে সুযোগ্য পাত্র হওয়ার সুবাদে তাঁকে ‘নেশনস হাজবেন্ড’ তকমাও দেওয়া হয়েছে।
কোকোর জন্মদিন পালনে অনলাইন দোকানও খুলেছিলেন সিকং। তবে এভাবে সারমেয়কে নিয়ে বাড়াবাড়ি করায় চিনা মিডিয়ায় তাঁর নিন্দা-সমালোচনাও হচ্ছে।


মন্তব্য