kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


শরণার্থীদের আশ্রয় দিতে জাহাজ পাঠাল গ্রিস

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১২:৫২



শরণার্থীদের আশ্রয় দিতে জাহাজ পাঠাল গ্রিস

গ্রিসের লেসবোস দ্বীপে মোরিয়া শরণার্থী শিবিরে আগুন লাগার ঘটনায় হাজারেরও বেশি আশ্রয়প্রার্থীকে রাখার জন্য একটি জাহাজ পাঠিয়েছে গ্রিসের সরকার। আগুনে ওই শিবিরের বিশাল অংশ ধ্বংস হয়ে গেছে।

বিবিসি বলছে, ৫ হাজারেরও বেশি শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থীকে আশ্রয় দেওয়া মোরিয়া শিবিরে আগুন লাগায় অধিকাংশ বাসিন্দা খোলা আকাশের নিচে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। শিবিরটিতে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত মানুষ বসবাস করতে বাধ্য হচ্ছেন।

গ্রিসের নৌপরিবহন মন্ত্রী তোদোরিস দ্রিতসাস বলেন, জাহাজে পরিবারগুলোকেই থাকার জন্য অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তিনি আরো বলেন, প্রয়োজন হলে আরো একটি জাহাজ পাঠানো হবে। আগুন লাগার ঘটনায় সম্পৃক্ততার সন্দেহে নয়জন আশ্রয়প্রার্থীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত শরণার্থী থাকায় মোরিয়া শিবিরে বসবাসকারীদের মধ্যেও অসন্তোষ বিরাজ করছে। পুলিশ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সেখানকার নিরাপত্তা বাড়িয়েছে।

উত্তর এজিয়ান অঞ্চলের গভর্নর খ্রিস্টিয়ানা কালোগিরো, একে নিয়ন্ত্রণের অতীত পরিস্থিতি উল্লেখ করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতি অঙ্গীকার পালন না করার অভিযোগ এনেছেন। সোমবার রাতে মোরিয়া শিবিরে আগুন লাগে। বিবিসি বলছে, বড়ধরনের এই অগ্নিকাণ্ডে তাঁবু ও অস্থায়ী ঘরগুলো পুড়ে গেছে। তবে এতে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী লেসবোসের এই শিবিরটিতে প্রায় ৫,৬০০ জন আশ্রয়প্রার্থী রয়েছেন। কিন্তু দ্বীপটি ৩,৬০০ জন মানুষ ধারণক্ষম। তুরস্কের কাছাকাছি গ্রিসের পাঁচটি দ্বীপে এখন ১৩,৫০০ জনেরও বেশি শরণার্থী বসবাস করছেন। কিন্তু সরকারি ভাষ্যমতে, দ্বীপগুলোর ধারণক্ষমতা ৭,৪৫০ জন। এই শরণার্থী বা অভিবাসন প্রত্যাশীদের অধিকাংশই যুদ্ধ এবং দারিদ্র থেকে বাঁচতে ঝুঁকিপূর্ণভাবে ভূমধ্য সাগর পাড়ি দিয়ে আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্য থেকে এসেছেন।

 


মন্তব্য