kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


সরকারকে পাকিস্তানে ঢুকে হামলার প্রস্তাব দিল ভারতীয় সেনাবাহিনী

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৭:৩০



সরকারকে পাকিস্তানে ঢুকে হামলার প্রস্তাব দিল ভারতীয় সেনাবাহিনী

উরিতে হামলার পর এবার পাল্টা হামলা চালানোর আবেদন জানাল ভারতীয় সেনাবাহিনী। হামলার বদলা হামলা দিয়েই পাকিস্তানকে এবার জবাব দিতে চায় ভারতীয় সেনা।

পাক ভূখণ্ডে এবার পাল্টা হামলা চালানো হোক বলে দাবি করছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। শক্তিশালী জাগুয়ার, মিরাজ, সুখই কিংবা ব্রহ্মস ক্রুজ মিসাইল দিয়ে পাকিস্তানের সেনা ঘাঁটিতে হামলা চালানো যেতে পারে।

উরিতে ঘুমন্ত জওয়ানদের ওপর হামলার পরই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে ভারতীয় সেনা। তাদের একাংশের দাবি, সীমান্ত পেরিয়ে এবার পাক ভূখণ্ডে ঢুকে পাল্টা আঘাত করা হোক পাকিস্তানকে। আর তাতেই উচিৎ শিক্ষা পাবে সন্ত্রাসের পালনকর্তা পাকিস্তান। ইতিমধ্যেই সেনাবাহিনীকে তৈরি থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশপাশি, পশ্চিম ঘাঁটিতে বায়ু সেনাকে তৈরি থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর।

তবে পাক ভূখণ্ডে ঢুকে সাময়িকভাবে হামলা চালানো হলে দুদেশের মধ্যেই যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তাই নিয়ন্ত্রণরেখা না পেরিয়ে কীভাবে পাকিস্তানকে উচিৎ শিক্ষা দেওয়া যায়, এবার তারই পরিকল্পনা শুরু করেছে ভারত।

জাগুয়ার, মিরাজ, সুখই কিংবা ব্রহ্মস দিয়েও পাকিস্তানের সেনা ঘাঁটিতে হামলা চালানো যেতে পারে। অথবা শক্তিশালী বোমা ফেলেও গুড়িয়ে দেওয়া যেতে পারে পাক সেনা ঘাঁটি। কিন্তু, পাক বায়ু সেনার অভিমুখ যেভাবে ভারতের দিকেই রয়েছে, তাতে ভারতীয় বায়ু সেনারও বেশ কিছু ক্ষতি হতে পারে। ফলে সব দিক ভাবনা চিন্তা করেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে মনে করছে বিভিন্ন মহল।

কিন্তু, পর পর যেভাবে ভারতের একাধিক জায়গায় পাকিস্তানের সাহায্য নিয়ে জঙ্গিরা হামলা চালাচ্ছে, তাতে পাক সেনাবাহিনীর সাহস এবং মনোবল দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে বলেই মনে করছে সেনাবাহিনী। ভারতে ঢুকে এভাবে ঘুমন্ত জওয়ানদের ওপর হামলা কাপুরুষের কাজ ছাড়া আর কিছু নয় বলেও সমালোচনা করা হয়েছে। অন্যদিকে পাকিস্তানের এভাবে চোরাগোপ্তা হামলায় যে ভারতীয় সেনাবাহিনী এবার ভীষণ ক্ষেপেছে তা বেশ ভালোভাবেই আন্দাজ করতে পারছে দিল্লি। তাই সিদ্ধান্তের জন্য চলছে বৈঠকের পর বৈঠক।

উল্লেখ্য, উরির সেনা ছাউনিতে হামলার ঘটনায় জইশ-ই-মহম্মদের হাত রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। পাক সেনাবাহিনীর পূর্ণ সহযোগিতায় মাসুদ আজাহারের বাহিনীই ওই হামলা চালিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করছেন সেনা কর্তারা। পাশপাশি নিহত জঙ্গিদের কাছ থেকে যে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে তা পাকিস্তানে তৈরি বলে জানা গিয়েছে।

সূত্র : ইন্ডিয়া ডটকম


মন্তব্য