kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বিবিসি বাংলার খবর

উরির হামলাকারীরা উচ্চ-প্রশিক্ষিত : রাজনাথ সিং

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৮:০৫



উরির হামলাকারীরা উচ্চ-প্রশিক্ষিত : রাজনাথ সিং

ভারত নিয়ত্রিত কাশ্মীরের উরিতে এক সেনাঘাঁটিতে চার বন্দুকধারীর হামলায় ১৭ জন ভারতীয় সৈন্য নিহত হবার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেছেন, আক্রমণকারীরা ছিল উচ্চস্তরের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এবং তাদের সাথে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র ছিল।
কাশ্মীরের ভারত-পাকিস্তান নিয়ন্ত্রণরেখার কাছেই এ আক্রমণ ঘটে।

রাজনাথ সিং টুইটারে এক বার্তায় আরো বলেছেন, আক্রমণকারীরা যে উচ্চ প্রশিক্ষিত ছিল এবং তাদের সাথে বিশেষ ধরণের যন্ত্রপাতি ছিল - তার সুনির্দিষ্ট আভাস পাওয়া গেছে।
তিনি ওই বার্তায় পাকিস্তানকে 'একটি সন্ত্রাসবাদী রাষ্ট্র' বলে আখ্যায়িত করে বলেন, তিনি ক্ষুব্ধ যে তারা (পাকিস্তান) এখনো সন্ত্রাসবাদকে অব্যাহত এবং প্রত্যক্ষ সমর্থন দিয়ে চলেছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে, ভোর পাঁচটার দিকে ওই আক্রমণ চালানো হয়। সে সময় আক্রান্ত সৈন্যরা তাঁবুতে ঘুমাচ্ছিল এবং গ্রেনেড আক্রমণে তাদের তাঁবুতে আগুন ধরে গেলে তারা নিহত হয়।
অন্তত ৩০ জন সৈন্য আহত হয়েছে। এর পর প্রায় ছয় ঘন্টা ধরে ভারতীয় সৈন্যদের সাথে বন্দুকযুদ্ধ চলে এবং তাতে আক্রমণকারীরা সবাই নিহত হয়।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টুইটারে এক বার্তায় এ আক্রমণের তীব্র নিন্দা করেছেন।
এ ঘটনার ব্যাপারে পাকিস্তানের দিক থেকে কোন প্রতিক্রিয়া এখনো পাওয়া যায় নি।
উরির ওই ঘাঁটিটি রাজধানী শ্রীনগর থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে । হামলাযর পর পাকিস্তানের সাথে নিয়ন্ত্রণ-রেখা বন্ধ হয়ে গেছে।
ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে গত প্রায় দু-মাস ধরে সহিংস বিক্ষোভ চলছে এবং এতে ৮০ জনেরও বেশি সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে এই হামলাকে সবচেয়ে মারাত্মক হামলা বলা হচ্ছে।
এর আগে কাশ্মীরের প্রধান শহর শ্রীনগরে ছররা গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে যাওয়া এক স্কুল ছাত্রের মৃতদেহ পাওয়া যাওয়ার পর পুরো রাজ্য জুড়ে জারি করা হয়েছে কঠোর সান্ধ্য আইন।
সেখানে লোকজনের চলাফেরা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে, এবং ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর এ যাবতকালের সবচেয়ে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে।
কাশ্মীরে সম্প্রতি এক বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাকে গুলি করে হত্যার পর সেখানে ভারতীয় শাসনের বিরুদ্ধে আবারও ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়।


মন্তব্য