kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


১১৫ বছর ধরে আলো দিচ্ছে বাল্ব, বিজ্ঞানীদের বিস্ময়

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৪:১৭



১১৫ বছর ধরে আলো দিচ্ছে বাল্ব, বিজ্ঞানীদের বিস্ময়

এ রকমও কি সম্ভব? এই ঘটনার পর মাথায় হাত বিশ্বের বড় বড় বিজ্ঞানীদের। এখনও পর্যন্ত কেউ সঠিকভাবে বলতে পারছেন না এর পিছনের কারণ।

এমনও হতে পারে? ঘটনাটি ১৯০১ সালের। ক্যালিফোর্নিয়ার লিভারমোরে ফায়ারহাউসে এই বাল্বটি লাগানো হয়েছিল। তারপর থেকে মাঝে মধ্যে সামান্য সময়ের জন্য বাল্বটি নেভানো হতো। ২০১৬ সালেও এই বাল্ব বহাল তবিয়তে জ্বলছে। একটা বাল্ব ১০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে জ্বলছে! এই খবর জানার পর সকলেই অবাক। বিজ্ঞানীরাও এর কোনো কুল-কিনারা করতে পারছেন না। এক এক জনে একেক রকমের ব্যাখ্যা দিচ্ছেন। এই ধরনের কার্বন ফিলামেন্টের বাল্বের আয়ু সাধারণত ১ হাজার থেকে ২ হাজার ঘণ্টার হয়। এই সময়ে যে ফ্লুরোসেন্ট বাল্ব বা এলইডি লাইটের চল হয়েছে তাদেরও আয়ু ২৫ থেকে ৫০ হাজার ঘণ্টা। সেখানে পুরনো আমলের ফিলামেন্ট লাগানো বাল্ব এত বছর ধরে জ্বলছে জেনেই বিস্মিত সকলে।

মাস্টারমাইন্ড ইলেক্ট্রিশিয়ান অ্যাডলফে এ চেইলট-এর করা নক্সায় এই বাল্বটি তৈরি করেছিল শেলবি ইলেক্ট্রিক নামে একটি সংস্থা। বাল্বের ফিলামেন্টে ব্যবহার করা হয়েছিল কার্বন। কিন্তু, এই ধরনের বাল্বের আয়ু কোনোভাবেই একবছরের বেশি হয় না। মাঝে বাল্বটি নিভেছিল এলাকায় লোডশেডিং হওয়ায়। এ ছাড়া বাল্বটি কখনও নেভানো হয়নি।

বিজ্ঞানীদের হাতে এই বিস্ময়কর বাল্বটি তুলে দেওয়া হয়নি পরীক্ষা-নিরিক্ষার জন্য। ফলে, অনেকে বাল্বটির আয়ু নিয়ে অনেকে অনেকরকম ব্যাখা দিয়েছে। যদিও তার বেশির ভাগটাই অনুমান সাপেক্ষে। এঁদের অনেকের মতে, ফিলামেন্টে ব্যবহৃত কার্বনের মান খুব ভালো হওয়ায় বাল্বটি এখনও আলো দিচ্ছে। আবার কারোর মতে, বাল্বের যে কাচের খোল আছে তা খুবই সুগঠিত এবং ভেতরে বাতাস প্রবেশ করতে দেয় না। যার ফলে বাল্বটি এখনও টিকে আছে।


মন্তব্য