kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


জানেন কি? পুরুষদের দুইয়ের বেশি স্তনবৃন্ত!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২৩:২২



জানেন কি? পুরুষদের দুইয়ের বেশি স্তনবৃন্ত!

বলতে পারেন একই ব্যক্তির দু-চোখ কখন ভিন্ন রঙের হয়? বলুন তো, দুটোর বেশি স্তনবৃন্ত থাকার সম্ভাবনা কাদের? 'আদম অ্যাপল' কি শুধু পুরুষেরই থাকে? কারও হাতে যদি এক্সট্রা আঙুল গজায়, সেটা কোথায় বেরোবে? সত্যি সত্যিই কি মানুষের লেজ দেখা দিতে পারে নাকি শহুরে মিথ?

আসুন, ভিন্ন রঙের দু-চোখ দিয়েই শুরুটা করা যাক। পশুদের ক্ষেত্রে এটা খুব স্বাভাবিক, তবে এই হেটেরোক্রোমিয়া মানুষের ক্ষেত্রে বিরলই।

খুব বেশি মাত্রায় বা খুব কম পিগমেন্টের উপস্থিতির কারণে এমনটা হয়। সাধারণত চোখে আঘাত থেকেই এমনটা হয়ে থাকে। তবে জেনেটিক কারণেও এমন হয়।

স্ত্রী বা পুরুষ-- স্তনবৃন্ত বা নিপল বুকের দু-দিকে দুটো থাকবে, এটাই স্বাভাবিক বলে আমরা মনে করি। কিন্তু ঘটনা হল, পুরুষদের ক্ষেত্রে সবসময় তা হয় না। তিনটে বা তার বেশিও নিপল থাকতে পারে। আমরা তিল বা আঁচিল বলে সেটাকে ধরে নিই।

হাতের এক পাঞ্জায় পাঁচ আঙুল যে সবসময় থাকে না, আমাদের তা মাঝেমধ্যে চোখেও পড়েছে। জানেন কি, এই বাড়তি আঙুল কোথায় গজানোর সম্ভাবনা বেশি থাকে? সমীক্ষায় দেখা গেছে, কড়ে আঙুলের ধার থেকেই গজায়। আকারে স্বাভাবিকের তুলনায় ছোট হয়। ওই এক্সট্রা আঙুলে কোনও হাড়ও থাকে না। প্রতি হাজার শিশুর মধ্যে একজনের এমন হতে পারে। শিশুর এক বছর বয়সের পর অস্ত্রোপচার করে আঙুলটি বাদ দিলেও সমস্যা হবে না।

প্রতিটি মানুষেরই লেজ আছে। সে তো প্রবাদই আছে। তবে, বাইরে থেকেও মনুষ্য ল্যাজ চোখে পড়ে, যদিও সেটা বিরল। শিশুর অতিরিক্ত স্পাইনাল হাড়ের বাড়বৃদ্ধির কারণেই লেজ আকার নেয়। বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তা বাড়তে থাকে। অস্ত্রোপচার করে এই 'pseudo' লেজ বাদ দেওয়া যায়।

আমাদের ধারণা, শুধু ছেলেদের মধ্যেই আদম অ্যাপল থাকতে পারে। কিন্তু, আদতে তা নয়। মেয়েদের মধ্যেও থাকে। এই আদম অ্যাপল আসলে ভয়েস বক্স বা ল্যারিংক্স। বয়ঃসন্ধির সময় এটা বাড়তে থাকে। ছেলেদের ক্ষেত্র বেশি বাড়ে বলে চোখে পড়ে। - সূত্র : এই সময়


মন্তব্য