kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


মাদার-নিন্দার জেরে সোশ্যাল মিডিয়ার তোপে কাটজু

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ০১:২৪



মাদার-নিন্দার জেরে সোশ্যাল মিডিয়ার তোপে কাটজু

ফের বিতর্কে জড়ালেন সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি মার্কন্ডেয় কাটজু। কুত্‍‌সিত ভাষায় মাদার টেরেজার সমালোচনা করে তিনি সোশ্যাল মিডিয়ার পাল্টা রোষের মুখে পড়েছেন।

বিতর্কিত মন্তব্য করার অভ্যাস এখনও ছাড়াতে পারেননি প্রাক্তন বিচারপতি কাটজু। তাঁর সাম্প্রতিক আক্রমণের লক্ষ্য স্বয়ং মাদার টেরেজা। গত রবিবার ভ্যাটিকানে সম্পূর্ণ হয়েছে মাদারের ক্যাননাইজেশন পর্ব। তাঁকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে তৈরি হয়েছে নব উন্মাদনা। সেইন্ট টেরেজা অফ কলকাতা হিসেবে তাঁর মহিমাকে স্বীকৃতি দিয়েছেন পোপ। কলকাতা তো বটেই, মাদারকে নিয়ে নতুন করে গর্বে উত্তাল আপামর ভারত। ঠিক এই সময় অযাচিত মাদার-নিন্দায় মেতেছেন কাটজু।

দরিদ্র ও আর্তের সেবায় মাদার টেরেজার সারা জীবনের আত্মত্যাগ ও কর্মকাণ্ড নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশ্ন তুলেছেন প্রাক্তন বিচারপতি। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে আর্থিক সাহায্য নেওয়ার ব্যাপারে মাদারের সম্মতি নিয়ে কটাক্ষ করে কাটজুর দাবি, তাঁকে কেউ ১ কোটি ডলার দিলে তিনিও ‘দরিদ্র ও আশ্রয়হীনদের জন্য কাজ করতেন’।

শুধু তাই নয়, এরপরে কাটজুর মন্তব্য, ‘বুঝতে পারি না মাদার টেরেজাকে নিয়ে এত ভক্তি, মাতামাতি আর শোরগোলের কী আছে। আমার মতে, তিনি একজন প্রতিক্রিয়াশীল অর্ধশিক্ষিত মৌলবাদী, উন্মাদ ও ভণ্ড মানুষ ছিলেন। ’ নিজের বক্তব্যের সমর্থনে মাদার টেরেজা প্রতিষ্ঠিত মিশনারিজ অফ চ্যারিটি সম্পর্কে বেশ কিছু অনুসন্ধানমূলক রিপোর্ট ও নিবন্ধের উল্লেখ করেন কাটজু। তাঁর দাবি, বেশ কয়েকটি বিতর্কিত সংস্থার থেকে আর্থিক অনুদান গ্রহণ করেছিলেন মাদার।

কাটজুর পোস্টে আরও লেখা হয়, ‘...আমাদের কাছে খবর রয়েছে যে, একশোরও বেশি দেশে ৫০০-র বেশি কনভেন্ট খুলেছিলেন টেরেজা। প্রতিটি কনভেন্টেই তাঁর নাম উল্লেখ করা হয় এবং তাঁর নির্দেশ মেনে চলা হয়। একি বিনয় বা নিরহঙ্কারের নিদর্শন?’

দেশ-বিদেশের নানান সমালোচকের নিবন্ধ, তদন্ত রিপোর্ট এবং হতাশ স্বেচ্ছাসেবকের উদ্ধৃতি দিয়ে মিশনারিজ অফ চ্যারিটি পরিচালিত অনাথাশ্রম সম্পর্কে কদর্য ছবি এঁকেছেন প্রাক্তন বিচারপতি। পোস্টের শেষে তিনি জানিয়েছেন, ‘কিন্তু এর পরেও বলা হবে যে, তিনি দরিদ্র ও আশ্রয়হীনদের সেবা করেছিলেন। ভালো কথা, আমাকে কেউ এক কোটি টাকা দিলে আমিও দরিদ্র ও আর্তের সেবায় কাজ করতে পারি। ’

মার্কন্ডেয় কাটজুর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্কের ঝড়। ফেসবুকে তাঁর মুণ্ডপাত করে পোস্ট হয়েছে অসংখ্য মন্তব্য।

সূত্র: এই সময়


মন্তব্য