kalerkantho

সোমবার । ১৬ জানুয়ারি ২০১৭ । ৩ মাঘ ১৪২৩। ১৭ রবিউস সানি ১৪৩৮।


বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন

বিমান ছিনতাইকারীর সঙ্গে কেন হাসিমুখে সেলফি?

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩০ মার্চ, ২০১৬ ২১:০৭



বিমান ছিনতাইকারীর সঙ্গে কেন হাসিমুখে সেলফি?

মিশরের একটি ছিনতাই-হওয়া বিমানে ছিনতাইকারীর সঙ্গে হাসিমুখে ছবি তোলার পর এক ব্যক্তি সাফাই দিয়েছেন, ছিনতাইকারীর কোমড়ে বাঁধা যে জিনিসটিকে সুইসাইড বেল্ট হিসেবে ভাবা হচ্ছিল সেটিকে ভালো করে খুঁটিয়ে দেখতেই তিনি ওই ছবি তুলতে গিয়েছিলেন।

স্কটল্যান্ডের বাসিন্দা বেন ইনসের ওই ছবিটি, যাতে তাকে ইজিপ্টএয়ারের ওই বিমানে ছিনতাইকারীর পাশে দাঁড়িয়ে দাঁত বের করে হাসতে দেখা যাচ্ছে – সেটি ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়ে গেছে।

এখন আবিরডিন শহরের লোক মি ইনস ‘দ্য সান’ পত্রিকাকে আরও বলেছেন, ‘বিরাট বিপদের মুখেও আমি আসলে আনন্দে থাকার চেষ্টা করছিলাম’।

ওই ছিনতাইকারী বিমানটিকে সাইপ্রাসে অবতরণে বাধ্য করেছিলেন। তাকে পরে গ্রেফতার করা হয় এবং দেখা যায় তার কোমড়ের সুইসাইড বেল্টটি আসলে নকল।

আদতে ইংল্যান্ডের লিডস শহরের লোক বেন ইনস মঙ্গলবার ইজিপ্টএয়ারের ওই এয়ারবাস ৩২০-র যাত্রী ছিলেন, যেটিকে বিস্ফোরণে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ছিনতাইকারী লারনাকা বিমানবন্দরে নিয়ে যেতে বাধ্য করেন।

প্রায় পাঁচ ঘন্টা ধরে বিমানে চলেছিল ওই ছিনতাই-নাটক, যার মধ্যে বেন ইনসের সঙ্গে ছিনতাইকারীর ওই ছবিটি তোলা হয়।

বিমানের কেবিন ক্রু-দের মধ্যেই একজন ওই ছবিটি তুলে দেন, যটিকে বেন ইনস বর্ণনা করেছেন ‘সর্বকালের সেরা সেলফি’ হিসেবে।

আলেক্সান্দ্রা থেকে কায়রোগামী ওই বিমানটিতে মোট ৫৫জন যাত্রী ছিলেন, যার মধ্যে ২৬জন ছিলেন বিদেশি নাগরিক।

এদিকে আজ সাইপ্রাসের ওই আদালত সেইফ আ-দিন মুস্তাফা নামে ওই ছিনতাইকারীকে আট দিনের জন্য পুলিশ হেফাজতে পাঠিয়েছে।

মি মুস্তাফাকে মানসিক ভারসাম্যহীন বলেও বর্ণনা করা হয়েছে – এবং জেলে যাওয়ার সময় তিনি দুআঙুল তুলে ভিক্ট্রি সাইনও দেখিয়েছেন।


মন্তব্য