kalerkantho


আসামে ভোট দিতে পারবেন না ১.৩৬ লাখ ভোটার

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৬ মার্চ, ২০১৬ ২৩:৪৯



আসামে ভোট দিতে পারবেন না ১.৩৬ লাখ ভোটার

সংখ্যাটা ঠিকই দেখছেন। এবারও আসামের বিধানসভা নির্বাচনে ব্রাত্যই থাকছেন ১ লাখ ৩৬ হাজার ভোটার। সরকারি ভাষায় যাঁরা কিনা সন্দিহান ভোটার, ইংরাজিতে ডুবিয়াস অথবা ডাউটফুল ভোটার। শর্টে ডি-ভোটার আখ্যা পেয়েছেন যাঁরা।

ঘটনার সূত্রপাত হয় ১৯৯৭ সালের ১৭ জুলাই, যখন ভারতীয় নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা থেকে অনাগরিকদের বাদ দেওয়ার সার্কুলার জারি করে। শুরু হয় ‘ডোর টু ডোর সার্ভে'। পরিচয়ের প্রমাণ যারা দিতে পারেননি, তাঁদেরই জোটে সন্দিহান ভোটারের তকমা। সেই সংখ্যাটা ছিল ৩ লাখ ৭০ হাজার। যার মধ্যে ১,৯৯,৬৩১ জনকে যাচাইয়ের জন্য পাঠানো হয় ফরেনারস ট্রাইব্যুনালে। সেখান থেকে ছাড় পেয়ে যান অনেকেই। কিন্তু ব্রাত্য থেকে যান ১ লাখ ৩৬ হাজার ভোটার। যাদের বেশিরভাগই একাত্তরের পরে আসা বাংলাদেশি হিন্দু।

২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার আগে ডি-ভোটারদের এই সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তারপর অনেক পানিই গড়িয়েছে ব্রহ্মপুত্র দিয়ে। কিন্তু, সন্দিহান ভোটাররা সেই আঁধারেই রয়ে গিয়েছেন। এরই মধ্যে সম্প্রতি শিলচরের ডিটেনশন ক্যাম্পে ডি-ভোটার ভুলু সাবদাকরের মৃত্যু বিধানসভা নির্বাচনের আগে ‘ভারতীয় বিদেশি'র এই সমস্যাকে আবার খুঁচিয়ে তুলেছে।

সূত্র : সংবাদ প্রতিদিন


মন্তব্য