kalerkantho


আইএস নিয়ন্ত্রিত পালমিরার প্রান্তে পৌঁছেছে সিরীয় বাহিনী

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৫ মার্চ, ২০১৬ ১১:২৭



আইএস নিয়ন্ত্রিত পালমিরার প্রান্তে পৌঁছেছে সিরীয় বাহিনী

ইসলামিক স্টেটের (আইএস) জঙ্গিদের হটিয়ে দিয়ে প্রাচীন শহর পালমিরার প্রান্তে পৌঁছে গেছে সিরিয়ার সরকারি বাহিনী। সিরিয়ার সরকারি কর্মকর্তারা ও দেশটির গৃহযুদ্ধ পর্যবেক্ষণকারী যুক্তরাজ্যভিত্তিক গোষ্ঠী 'দ্য সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস'-এর বরাতে বৃহস্পতিবার এ খবর জানিয়েছে বিবিসি।

সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এসএএনএ (সানা) জানিয়েছে, ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ প্রাচীন পালমিরা নগরীর পুরোটা নজরে পড়ে এমন কয়েকটি পাহাড়ের দখল নিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী ও মিত্র বেসামরিক বাহিনী।

ধ্বংসপ্রাপ্ত প্রাচীন রোমান নগরী পালমিরা ও সংলগ্ন আধুনিক শহরটি গেল বছরের মে মাসে দখল করে নিয়েছিল আইএস জঙ্গিরা। দখলের পরপরই পালমিরার দুই হাজার বছরের পুরনো দুটি মন্দির, একটি তোরণ ও অন্য কয়েকটি স্থাপনা ধ্বংস করে দেয় চরমপন্থী জঙ্গিগোষ্ঠীটি।

এতে বিশ্বব্যাপী তীব্র প্রতিক্রিয়া হয়। এই ধ্বংসকাণ্ডকে যুদ্ধাপরাধ বর্ণনা করে এর নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘের সাংস্কৃতিক সংস্থা ইউনেস্কো।

বুধবার সানার প্রতিবেদনে বলা হয়, সেনাবাহিনী ও সরকার অনুগত বেসামরিক বাহিনী পালমিরার পশ্চিমে ও দক্ষিণ-পশ্চিমের উঁচু এলাকাগুলোয় আইএস জঙ্গিদের ধ্বংস করে এলাকগুলো দখল করে নিয়েছে। মিলিত বাহিনী এখন পালমিরার সড়ক-সংযোগ 'পালমিরা ট্রায়াঙ্গালের' দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

এক সেনা জানিয়েছে, পশ্চিম দিক থেকে জংশনটির দিকে এগোনোর সময় তারা পালমিরা ট্রায়াঙ্গাল থেকে প্রায় ১২০টি 'বোমা' সরিয়ে নিয়েছেন।

সানা আরো জানায়, পালমিরা ও সুখানাহর মধ্যবর্তী সড়কে আইএসের গাড়িবহরে সিরীয় সরকারি জঙ্গিবিমানগুলো আক্রমণ চালিয়েছে, এতে বহু যানবাহন ধ্বংস ও অনেক জঙ্গি নিহত হয়েছেন।

বুধবার সকালে অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে, পালমিরার দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রান্ত থেকে মাত্র দুই কিলোমিটার এবং পশ্চিম প্রান্ত থেকে মাত্র পাঁচ কিলোমিটার ‍দূরে রয়েছে সরকারি বাহিনী।

হমস প্রদেশের গভর্নর তালাল বারাজি সরকারি বাহিনীর এই অগ্রগতিকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, এক শ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে আইএস নিয়ন্ত্রিত কারিয়াতায়িন শহরের কাছাকাছি পৌঁছে গেছে সরকারি বাহিনী।

চলতি মাসের প্রথম দিকে রুশ বিমানের ব্যাপক হামলার সমর্থন নিয়ে পালমিরা পুনর্দখলের জন্য আক্রমণ অভিযান শুরু করে সিরীয় সরকারি বাহিনী।


মন্তব্য