kalerkantho

শুক্রবার । ২০ জানুয়ারি ২০১৭ । ৭ মাঘ ১৪২৩। ২১ রবিউস সানি ১৪৩৮।


যুক্তরাষ্ট্র-কিউবা সম্পর্কে ‘নতুন দিনের’ সূচনার অঙ্গীকার ওবামা, ক্যাস্ট্রোর

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২২ মার্চ, ২০১৬ ১৮:২০



যুক্তরাষ্ট্র-কিউবা সম্পর্কে ‘নতুন দিনের’ সূচনার অঙ্গীকার ওবামা, ক্যাস্ট্রোর

মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও কিউবার প্রেসিডেন্ট রাউল ক্যাস্ট্রো দুই দেশের মতবিরোধকে পাশ কাটিয়ে ‘নতুন দিনের’ সূচনার অঙ্গীকার করেছেন।
হাভানায় তিন দিনের এই ঐতিহাসিক সফরের দ্বিতীয় দিন গতকাল সোমবার কিউবার প্রেসিডেন্ট রাউল ক্যাস্ট্রোর সঙ্গে বৈঠক করেন ওবামা। হাভানায় প্যালেস অব দ্য রেভল্যুশনে বৈঠকে ওবামা দীর্ঘদিন ধরে বিভক্ত দুই প্রতিবেশীর জন্য একটি নতুন দিন হিসেবে একে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে কিউবার বিভিন্ন বিষয়ে অতীতে যুক্তরাষ্ট্রের নানা হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘কিউবার ভাগ্য যুক্তরাষ্ট্র বা অন্য কোনো দেশ নির্ধারণ করবে না। ’
ক্যাস্ট্রো স্বীকার করেন, কিউবার মানবাধিকার পরিস্থিতি এবং দেশটির ওপর গত কয়েক দশকের মার্কিন অর্থনৈতিক অবরোধ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে এখনও অনেক মতপার্থক্য রয়েছে।
উভয় নেতা বৈঠকের পর এক সংবাদ সম্মেলন করেন। সম্মেলনে তারা কখনও মজা করে কথা বলেন আবার কখনও কৌশল অবলম্বন করেন । সম্মেলনে ক্যাস্ট্রো রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বন্দী রাখার কথা অস্বীকার করেন।
তিনি বলেন, ‘বৈঠক শেষ হওয়ার পর আপনি রাজবন্দীদের তালিকা আমাকে দেন। আমি যদি দেখি তারা রাজবন্দী, তাহলে রাত শেষ হবার আগেই তাদেরকে মুক্তি দেয়া হবে। ’
উভয় নেতা প্যালেস অব দ্য রেভল্যুশনে দুই ঘন্টার বেশি সময় বৈঠক করেন। এরপর সংবাদ সম্মেলন করা হয়। এটি কিউবার টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।
৮৮ বছরের মধ্যে ওবামাই প্রথম ব্যক্তি, যিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে আসীন থাকা অবস্থায় কিউবায় সফর করছেন। তিনি দুই দেশের নতুন দিনের সূচনার প্রশংসা করেন। তিনি আরো বলেন, কিউবার ওপর নিষেধাজ্ঞার অবসান ঘটতে যাচ্ছে।
রোববার হাভানায় পৌঁছানোর পর ওবামা প্রথমেই যান মার্কিন দূতাবাসে। কিউবায় ওবামার পা রাখার আগে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ ছিল এই দূতাবাস পুনরায় খুলে দেওয়া। দূতাবাসে পৌঁছে তিনি এর কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, এখানে আসতে পারার বিষয়টি চমৎকার এক অভিজ্ঞতা। এটা একটি ঐতিহাসিক সফর, একটি ঐতিহাসিক সুযোগ।


মন্তব্য