kalerkantho

26th march banner

সৌদি আরবের ডাকাত থাইইল্যান্ডে সাধু!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ মার্চ, ২০১৬ ২৩:২৮



সৌদি আরবের ডাকাত থাইইল্যান্ডে সাধু!

একটি সুদৃশ্য নীল হিরা এবং এক সামান্য বাগানের মালি৷ মালিটি চাকরি করত সৌদি আরবের এক চোখ ধাঁধানো রাজপ্রাসাদে৷ হঠাৎই সেই বহুমূল্য হিরা এবং আরও বহুমূল্য রত্ন নিয়ে একদিন ভেগে গেল সে৷ চুরির মূল্য নয় নয় করে দু'শ' কোটি মার্কিন ডলার৷ সৌদি আরবের পুলিশের হাতে ধরাও পড়ে মালিটি৷ তার পাঁচ বছরের জেলও হয়৷ কিন্তু কোনো ভাবে জেল থেকে পালাতে সক্ষম হয় সে৷ আরব দেশের পুলিশের নাগাল থেকে পালিয়ে থাইল্যান্ডে আসে সে৷ এখান থেকেই তার জীবন অন্য খাতে বইতে শুরু করে৷

ক্রিয়াংক্রাই তেচামং নামে মালিটি সব রত্ন বেচে দিলেও সঙ্গে ছিল একটি নীল হিরে৷ হিরেটি সে এক সৌদি রাজপুত্রের প্রাসাদ থেকে চুরি করে৷ এই প্রাসাদে সে নব্বইয়ের দশকের শেষ পর্যন্ত কাজ করত৷ তার ভাষায় হিরেটির কারণেই তার জীবনে নেমে আসে দুর্ভাগ্যের বাণ৷ কৃতকর্মের থেকে প্রায়শ্চিত্ত করতে থাইল্যান্ডের একটি বৌদ্ধ গুম্ফায় যোগ দিয়ে সন্ন্যাস গ্রহণ করে সে৷

কিন্তু এখানেই শেষ হয় না তার দুর্ভাগ্যের কাহিনি৷ তার কাহিনি এরপর জড়িয়ে যায় দু'দেশও৷ বিবাদে জড়িয়ে পড়ে সৌদি আরব এবং থাইল্যান্ড৷ সৌদি আরবের অভিযোগ, অভিযুক্ত মালিকে ধরতে কোনও ব্যবস্থাই গ্রহণ করেনি তাই সরকার৷ উল্টে, তিন কূটনীতিক এবং রিয়াধের এক ব্যবসায়ীকে নৃশংস ভাবে খুন করার তাই পুলিশের বিরুদ্ধে ওঠে অভিযোগ৷ ২০১৪ সালে পাঁচ ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে নেওয়া হয়৷ তার পর থেকে তিক্ত হয়ে যায় সৌদি আরব এবং থাইল্যান্ডের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক৷ সেই থেকে কোন কূটনেতিককে থাইল্যান্ডে পাঠায়নি সৌদি আরব৷

তাই হিরের দোষে দস্যু রত্নাকর থেকে বাল্মিকীতে বদলালেও তাতে জট কাটেনি দু'দেশের৷

সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন


মন্তব্য