kalerkantho


বর্ণবাদ-নারীবিদ্বেষ-গোঁড়ামি-হুমকির অপর নাম ট্রাম্প

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ মার্চ, ২০১৬ ১৬:০৮



বর্ণবাদ-নারীবিদ্বেষ-গোঁড়ামি-হুমকির অপর নাম ট্রাম্প

প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে ডোনাল্ড ট্রাম্প বর্ণবাদ, নারীবিদ্বেষ, গোঁড়ামি, বিদেশাতঙ্ক (জেনোফোবিয়া), অশ্লীলতা, হুমকি আর সহিংসতাকে উসকে দেবেন বলে মন্তব্য করেছেন রিপাবলিকান দলের সাবেক প্রেসিডেন্ট প্রার্থী মিট রমনি। শুক্রবার বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে ২টার দিকে নিজের ফেসবুক ওয়ালে এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন। মিট রমনির মতে, আসন্ন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থী মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় রিপাবলিকান দলে এখন দুটো ধারার সৃষ্টি হয়েছে। একটি ট্রাম্পবাদ, অপরটি রিপাবলিকানবাদ। ট্রাম্পবাদ মানেই বর্ণবাদ, নারীবিদ্বেষ, গোঁড়ামি, বিদেশাতঙ্ক, অশ্লীলতা, হুমকি আর সহিংসতা। তিনি ফেসবুক পোস্টটিতে লেখেন, ট্রাম্পবাদের প্রতিটা ইস্যুতেই আমি হতাশ। আসছে ইউটাহ ককাসে আমি টেক্সাসের সিনেটর টেড ক্রুজকে ভোট দেব।

তিনি আরো লেখেন, এখন অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে, ট্রাম্পের জায়গায় একজন রিপাবলিকানকে মনোনয়ন দিতে হলে খোলামেলা কথা শুরু করতে হবে। আর মনোনয়নের দৌড়ে টেড ক্রুজকে পার করতে হলে আসছে প্রতিটা মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় তার প্রতি আমাদের সমর্থন জ্ঞাপন করতে হবে। মিট রমনি লেখেন, আমি জন কাসিচকে পছন্দ করি। আমি তার জন্য প্রচারণাও চালিয়েছি। গভর্নর হিসেবে তার রেকর্ড অত্যন্ত ভালো। ওহিওতে আমি তার জন্যই ভোট দিতাম। কিন্তু কাসিচকে এখন ভোট দেওয়া মানে মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় ট্রাম্পবাদকেই সামনে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়া। মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় এখনো অবশিষ্ট অঙ্গরাজ্যগুলোয় তিনি সবার প্রতি টেড ক্রুজকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান ওই পোস্টটিতে।

এদিকে, শত সমালোচনা, বর্ষীয়ান রিপাবলিকান নেতাদের বিরোধিতাকে এক প্রকার বুড়ো আঙুল দেখিয়েই মনোনয়নের দৌড়ে এগিয়ে চলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এখন পর্যন্ত তার ঝুলিতে জমা পড়েছে ৬৭৮টি ডেলিগেট ভোট। রিপাবলিকান দলে প্রার্থিতার বৈতরণী পার হতে তার দরকার আরো ৫৫৯টি ডেলিগেট ভোট। আর টেড ক্রুজের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন ৪২৩ জন ডেলিগেট। রিপাবলিকান দলে এখনো ভোট দেওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন ১০৪৯ জন ডেলিগেট।

তবে রাজনীতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শেষ পর্যন্ত ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট হওয়ার স্বপ্ন বধ করবেন ডেমোক্রেট দলের সম্ভাব্য প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনই। এখন পর্যন্ত তার ঝুলিতে ১৬১৪টি ডেলিগেট ভোট জমা পড়েছে। আর নিজের দলে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বার্নি স্যান্ডার্সকে সমর্থন দিয়েছেন ৮৫৬ জন ডেলিগেট। প্রার্থিতার দৌড়ে জয়ী হতে হলে ডেমোক্রেট দলে একজন মনোনয়ন প্রত্যাশীকে পেতে হবে ২৩৮৩টি ডেলিগেট ভোট। এ দলে এখনো ভোট দেওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন ২২৯৫ জন ডেলিগেট।

 


মন্তব্য