kalerkantho


ফেসবুকে মধুচক্র, স্পাইওয়্যারের ফাঁদ

ভারতীয় সেনাদের ফাঁসাতে পাকিস্তানের নতুন ছক

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৬ মার্চ, ২০১৬ ০০:৪১



ভারতীয় সেনাদের ফাঁসাতে পাকিস্তানের নতুন ছক

ভারতীয় সেনাবাহিনীকে সম্পূর্ণ নতুন ছকে নিজেদের বেছানো জালে জড়াচ্ছে পাকিস্তান। পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই ফেসবুকে মধুচক্রের ফাঁদ পেতে সেনাবাহিনীর থেকে গোপন তথ্য বের করে নিচ্ছে।

স্পাইওয়্যারের মতো সফ্টওয়্যার ব্যবহার করে সেনাবাহিনীর স্মার্টফোনের ওপর আড়ি পাতছে। এমনই তথ্য উঠে এসেছে বেসরকারি টিভি চ্যানেল সিএনএন-আইবিএন-এর করা এক অনুসন্ধান রিপোর্টে।

অনুসন্ধান করে দেখা গেছে, সেনাজওয়ানদের ব্যক্তিগত কম্পিউটারগুলিকেও আক্রমণ করছে এই স্পাইওয়্যার, নাম SmeshAPP। এই স্পাইওয়্যারটি খুব সহজেই গুগল প্লে-স্টোরে পাওয়া যায়। একবার যদি কোনও মেশিনে এই অ্যাপসটি ইনস্টল করে দেওয়া যায়, তাহলে কম্পিউটার বা ল্যাপটপ থেকে যেকোনও গোপন তথ্য, সেই ব্যক্তি কোথায় কখন যাচ্ছেন, তাঁর সমস্ত ফোনের কথা বার্তা, সেই ব্যক্তির পাঠানো টেক্সট ম্যাসেজ, এমনকি ছবি, সবকিছুই অন্যের হাতে সহজে চলে যায়। কার্যত সেই ব্যক্তির মোবাইল ও ফেসবুক অ্যাকাউন্ট তখন ডাটা বেস-এর মতো কাজ করবে।

মূলত স্পাইওয়্যার থেকে সমস্ত তথ্য জার্মানির একটা সার্ভারে গিয়ে জমা হয়, যেটা করাচিতে বসে এক ব্যক্তি নিয়ন্ত্রণ করে।
বেসরকারি টিভি চ্যানেল সিএনএন-আইবিএন-এর করা অনুসন্ধানে দেখা গিয়েছে, এই অ্যাপস ব্যবহার করে পাকিস্তানি হ্যান্ডলাররা ভারতীয় সেনাজওয়ানদের সমস্ত গতিবিধি আগাম জেনে যাচ্ছে। উল্লেখ্য ২০১৬-র জানুয়ারিতে পাঠানকোটে বায়ুসেনা ঘাঁটিতে হামলার পর সেনাজওয়ানদের সমস্ত গতিবিধিই পাকিস্তানের নজরদারিতে ছিল।

এমনকি তাঁদের সমস্ত পদক্ষেপ সম্পর্কে ওয়াকিবহাল ছিল পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থা, সৌজন্যে স্পাইওয়্যার।

এই অ্যাপস ব্যবহার ছাড়াও ফেসবুকে পাতা রয়েছে মধুচক্রের বিভিন্ন ফাঁদ। সেই পাতা ফাঁদে সেনাজওয়ানরা খুব সহজেই জড়িয়ে পড়ছে। অনুসন্ধান করে দেখা গেছে, পাকিস্তানি হ্যান্ডলাররা এমন দশটি জাল ফেসবুক প্রোফাইল খুলে রেখেছে যেখানে সুন্দরী মহিলাদের ব্যবহার করে, তারা সেনাজওয়ানদের থেকে জেনে নিচ্ছে বিভিন্ন গোপন তথ্য।

মূলত সেনাজওয়ান, নৌবাহিনী ও বায়ু সেনার বিভিন্ন অফিসারদের টার্গেট করে রেখেছে পাক হ্যান্ডলাররা। তাদের পাতা ফাঁদের মূল টার্গেট হল ফিল্ড অফিসাররা। তবে অবসরপ্রাপ্তদেরও ছাড়ছে না পাকিস্তানি হ্যান্ডলাররা।

সূত্র: এবিপি আনন্দ


মন্তব্য