সমালোচনার মুখে ট্রাম্পের সুর বদল-332432 | বিদেশ | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

সোমবার । ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১১ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৩ জিলহজ ১৪৩৭


সমালোচনার মুখে ট্রাম্পের সুর বদল

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৫ মার্চ, ২০১৬ ১৪:২২



সমালোচনার মুখে ট্রাম্পের সুর বদল

তীব্র সমালোচনার মুখে একদিনের মাথায় যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে সুর বদলে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, সন্ত্রাসবাদবিরোধী লড়াইয়ের জন্য সামরিক বাহিনীকে তিনি আন্তর্জাতিক আইন লংঘনের নির্দেশ দেবেন না। বৃহস্পতিবার রিপাবলিকান পার্টি থেকে প্রেসিডেন্ট পদে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের টেলিভিশন বিতর্কে সন্ত্রাসীদের পরিবারকে হত্যা এবং নির্যাতনের পদ্ধতি হিসেবে পানিতে চোবানো ও তার থেকে কঠোরতার পক্ষে বলেন ট্রাম্প। তার ওই বক্তব্যের সমালোচনায় সরব হন সাবেক মন্ত্রী, আইন প্রণেতা এবং গোয়েন্দা ও সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তারা। ট্রাম্প প্রেসিডেন্টের দপ্তরের জন্য অনুপযুক্ত বলেও মন্তব্য করেন কেউ কেউ।

কেউ কেউ বলেন, সামরিক বাহিনী নিজস্ব ক্ষমতাবলে এসব নির্দেশনা উপেক্ষা করতে পারবে। নিজ দলেও সমালোচনার মধ্যে থাকা ট্রাম্প এ প্রেক্ষাপটে শুক্রবার এক বিবৃতিতে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন আইন ও চুক্তি মেনে চলতে বাধ্য এ বিষয়টি তিনি বুঝতে পেরেছেন এবং সামরিক বা অন্য কোনো কর্মকর্তাকে এসব আইন লংঘনের নির্দেশ দিবেন না। এসব বিষয়ে তাদের পরামর্শ নেবেন। আমি কোনো সামরিক কর্মকর্তাকে আইন অমান্য করতে নির্দেশ দেব না। এটা স্পষ্ট যে, প্রেসিডেন্ট হিসেবে আমিও অন্য সব আমেরিকানের মতো আইন মেনে চলতে বাধ্য থাকব এবং আমি ওই সব দায়িত্ব পালনে সচেষ্টা থাকব।

রিপাবলিকান নেতা ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী উইলিয়াম কোহেন বৃহস্পতিবার সিএনএনকে বলেন, সন্ত্রাসীদের পরিবারকে হামলা ও হত্যা করব-এই ভাবনা বর্তমান বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের যে অবস্থান তার সঙ্গে সম্পূর্ণ বিপরীত। সামরিক বাহিনী এসব নির্দেশনা মেনে কাজ করলে তাদের ন্যুরেমবার্গ ট্রায়ালের মতো বিচারের মুখোমুখি হতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সিআইএর সাবেক পরিচালক জেনারেল মাইকেল হেইডেন বলেন, এ ধরনের আদেশ দেওয়া হলে আমেরিকার সশস্ত্র বাহিনী তা উপেক্ষা করতে পারে। কোনো আইনবিরুদ্ধ আদেশ মেনে চলতে আপনি বাধ্য নন। এটা সশস্ত্র লড়াইয়ের সব আন্তর্জাতিক আইনের লংঘন হবে। ট্রাম্পের অবস্থানের বিষয়ে জয়েন্ট চিফস অব স্টাসের চেয়ারম্যান জেনারেল জোসেফ ডানফোর্ডের ভাবনা জানতে চেয়ে শুক্রবার তাকে চিঠি পাঠিয়েছেন রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম।

 

মন্তব্য