kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


কানাডার প্রধানমন্ত্রী হলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত লক্ষ্মণ পাল

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩ মার্চ, ২০১৬ ২২:৩১



কানাডার প্রধানমন্ত্রী হলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত লক্ষ্মণ পাল

কানাডার প্রধানমন্ত্রী পদে বসলেন এক ভারতীয় বংশোদ্ভূত তরুণ শিক্ষার্থী। পি জে লক্ষ্মণ পালের বিরল সম্মানলাভে বিস্মিত সারা দুনিয়া।

এ যেন এক আধুনিক রূপকথা। কানাডার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতার মসনদে বসলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত লক্ষ্মণ পাল। অসামান্য এই রূপকথার রচয়িতা অবশ্য গত নির্বাচনে জয়ী জনগণের পছন্দের প্রার্থী জাস্টিন ত্রুদো।

আসলে লক্ষ্মণের প্রধানমন্ত্রিত্বের মেয়াদ মাত্র ২৪ ঘণ্টা। তিনি কানাডার প্রতীকি প্রধানমন্ত্রী। তবে দেশের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক পদ অলঙ্কৃত করার ফলে এই ২৪ ঘণ্টা যাবতীয় গুরুত্ব ও সুবিধা ভোগ করলেন ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯ বছর বয়সী এই ছাত্র।

পুরো নাম প্রভোজ্যোতি লক্ষ্মণ পাল। স্বপ্ন ছিল, দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন। কিন্তু কঠিন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার পর আচমকা ধাক্কা খায় সেই আশা। নিমেষে সব কিছু যেন ওলোট-পালট হয়ে গিয়ে ঘনিয়ে আসে মৃত্যুর আশঙ্কা।

লক্ষ্মণ পালের স্বপ্নের কথা ক্রমে পৌঁছয় কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ত্রুদোর কানে। নবীনের ইচ্ছে পূরণে আসরে নামেন তিনি। পি জে লক্ষণ পাল এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের ভিভিআইপি মর্যাদা দিয়ে পাঁচ দিনের রাষ্ট্রীয় অতিথি হিসেবে রাজধানী অটোয়ায় আমন্ত্রণ জানায় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর। জানা গিয়েছে, এই ৫ দিন তাঁদের ঠিকানা হয়েছে রাজধানীর বিলাসবহুল হোটেল শ্যাতো লরিয়্যর-এর প্রেসিডেন্সিয়াল সুইট। গত ১ মার্চ প্রভোজ্যোতি লক্ষণ পালকে একদিনের জন্য কানাডার প্রধানমন্ত্রীর পূর্ণ মর্যাদা এবং নিরাপত্তা দেওয়া হয়।

অটোয়া সফরে এসে লক্ষণ পাল অবশ্য শুধু প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তাঁর চেয়ারে বসেই ক্ষান্ত হননি, সেই সঙ্গে পার্লামেন্ট ভবন পরিদর্শন, স্পিকার, গভর্নর জেনারেল, মন্ত্রী পরিষদের সদস্য এবং জাস্টিন ত্রুদোর সঙ্গে সাক্ষাতও করেন। সেই সঙ্গে একটি শপথ অনুষ্ঠান পর্যবেক্ষণ, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ বিমানে সওয়ার হওয়া থেকে শুরু করে সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বের পর গণমাধ্যমে কথা বলার সুযোগও তিনি পান।

দপ্তরে প্রধানমন্ত্রীর আসন যখন অলঙ্কৃত করেন লক্ষ্ণণ, তখন পাশেই সাধারণ চেয়ারে বসে ঐতিহাসিক মুহূর্তটি তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করেছেন জাস্টিন ত্রুদো স্বয়ং।

সূত্র: এই সময়


মন্তব্য